শিরোনাম
 সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বনদস্যুদের গোলাগুলি  একের পর এক সিইও পদত্যাগ করায় ট্রাম্পের ব্যবসায়ী পরিষদ বিলুপ্ত
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ২১:৩৮:৫১

বগুড়ার সেই কিশোরী মেয়েকে নিজের জিম্মায় চান বাবা

বগুড়া ব্যুরো
রাজশাহীর সেফ হোমে থাকা বগুড়ায় ধর্ষণের শিকার সেই কিশোরীকে নিজ জিম্মায় নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তার বাবা।

রোববার বগুড়া শিশু আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আমানুল্লাহর সঙ্গে দেখা করে তিনি এই আগ্রহের কথা জানান।

একই সঙ্গে রাজশাহীর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে থাকা তার স্ত্রীকেও বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে চান তিনি। এ জন্য তিনি আদালতে আবেদনও করতে চেয়েছেন। তবে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পিপির কার্যালয় থেকে সাড়া দেওয়া হয়নি। 

আমানুল্লাহ বলেন, মেয়ে ও মায়ের নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে এখনই তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। তাছাড়া বিষয়টি সম্পন্ন আদালতের এখতিয়ার। তাই আদালতের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। 

তিনি আরো বলেন, কিশোরীর বাবার বক্তব্য শোনার পর তাকে বলেছিলাম মা-মেয়ের নিরাপত্তা আপনার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয় বলে এর আগে আদালতকে জানিয়েছেন। আমরাও তাই মনে করি। পরিস্থিতি শান্তি হলে বিষয়টি আদালতে জানানো হবে।

ভালো কলেজে ভর্তির প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ জুলাই ওই কিশোরীকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার। ১০ দিন পর কিশোরী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাদের মাথা ন্যাড়া করে বেধড়ক পেটানো হয়। 

ওই ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে তুফান, তার স্ত্রী আশা, বড় বোন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।পরে পুলিশ এজাহারভুক্ত নয় আসামিসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। 

গত ২৮ জুলাই দুপুরে নির্যাতনের কয়েক ঘণ্টা পর নির্যাতিত মা ও মেয়েকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাদের বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তাসহ চিকিৎসাসেবা দিতে নির্দেশনা চেয়ে ১ আগস্ট শিশু আদালতে আবেদন জানানো হয়। পিপি অ্যাডভোকেট আমানুল্লাহর সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা-মেয়ের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়, যাতে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১০ দিনের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠা মা-মেয়েকে ৭ আগস্ট দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে কিশোরী ও তার মাকে আদালতে নেওয়া হয়। শিশু আদালতের বিচারক এমদাদুল হক শুনানি শেষে কিশোরীকে রাজশাহী সেফ হোমে ও তার মাকে একই জেলায় অথবা তার পছন্দ অনুযায়ী যে কোনো জেলার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved