শিরোনাম
 সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বনদস্যুদের গোলাগুলি  একের পর এক সিইও পদত্যাগ করায় ট্রাম্পের ব্যবসায়ী পরিষদ বিলুপ্ত
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ২০:৪৭:২০

রায়ের অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের

সমকাল প্রতিবেদক
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও পর্যবেক্ষণে আপত্তিকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতারা। একই সঙ্গে এসব অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য আদালতকে স্বপ্রনোদিত হয়ে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

প্রধান বিচারপতির দেওয়া ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও সংসদকে হেয় করার প্রতিবাদে ‘সংক্ষুব্ধ’ আইনজীবীরা রোববার প্রথম দিনে সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে। কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে সরকার সমর্থিত আওয়ামী পন্থী আইনজীবীরা প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

সভায় পরিষদের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস অভিযোগ করে বলেন, একটি অপশক্তি এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লিপ্ত। জাতির সামনে একে একে আমরা তাদের মুখোশ উন্মোচিত করবো। আমরা জানি এই ড্রাফট কোথা থেকে এসেছে। একটি ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদক এই ড্রাফট করে দিয়েছেন। আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই।  

রায়ের পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ রকম অপ্রাসঙ্গিক, অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক যেসব বক্তব্য লেখা হয়েছে ছয়জন বিচারপতি সবাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে একমত পোষণ করেননি। আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ও সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু এমপি, আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম ও নুরুল ইসলাম সুজন এমপি প্রমুখ।

পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ হোসেন হুমায়ন বলেন, ষড়যন্ত্র ছিল, ষড়যন্ত্র আছে, ষড়যন্ত্র চলবে কিন্তু এটা ভেদ করে আমরা এগিয়ে যাব। সুপ্রিমকোর্ট ইজ সুপ্রিম কোর্ট। পবিত্র অঙ্গণ। এখানে কোনভাবেই রাজনৈতিক মঞ্চ করতে দেওয়া হবে না।  যদি করেন তাহলে তার উপযুক্ত ক্ষমতা আমাদের আছে। 

তিনি বলেন, যে রায় ও পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, এটা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছি।

আব্দুল বাসেত মজুমদার বলেন, আজকের  প্রেক্ষাপট একটি সুপরিকল্পিত। এ রায়ের কথা শুধু প্রত্যাহার না এই রায়ে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যে কটাক্ষ করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা আন্দোলন সম্পর্কে যে কথা বলা হয়েছে, তাতে এই রায় আর থাকার কোনো সুযোগ নাই।

প্রসঙ্গত, উচ্চ আদালতে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছ থেকে জাতীয় সংসদের হাতে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। ওই বিধান ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল। সংবিধানের এই সংশোধন মৌলিক কাঠামোতে পরিবর্তন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে-এমন যুক্তিতে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্ট ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। চলতি বছরের ৩ জুলাই ওই রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। গত ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। 

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved