শিরোনাম
 সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বনদস্যুদের গোলাগুলি  একের পর এক সিইও পদত্যাগ করায় ট্রাম্পের ব্যবসায়ী পরিষদ বিলুপ্ত
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৭, ০০:১১:২৯
বিআইবিএমের সেমিনারে বক্তারা

ঋণখেলাপিদের বয়কট করুন

সমকাল প্রতিবেদক
ব্যাংকিং খাত নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, ঋণখেলাপিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতে হবে। তাদের মতে, ঋণখেলাপি হওয়া এখন সংস্কৃতি হয়ে গেছে। এ সংস্কৃতি থেকে বেরোতে হলে খেলাপিদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বয়কট
করতে হবে। নতুবা লুটপাট থেকে ব্যাংক খাতকে রক্ষা করা যাবে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার 'অ্যান ইভালুয়েশন অব দ্য পারফরম্যান্স অব নিউ কমার্শিয়াল ব্যাংকস' শীর্ষক কর্মশালায় তারা এসব কথা বলেন। কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটরিয়ামে আয়োজিত কর্মশালায় বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।
এস কে সুর চৌধুরী বলেন, নতুন নয়টি ব্যাংকের মধ্যে দু-তিনটির অবস্থা খুবই নাজুক। এদের মধ্যে এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে, যে কারণে ব্যাংকগুলো পিছিয়ে পড়ছে।
মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, একটা শ্রেণি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা ফেরত দিতে চায় না। তাদের কাছে ঋণ ফেরত না দেওয়াই সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপিরা যেন মেম্বার-চেয়ারম্যান বা ঊর্ধ্বতন কোনো পদে থাকতে না পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ৬০ শতাংশ খেলাপি ঋণ থাকার পরও বেসিক ব্যাংক বাঁচার স্বপ্ন দেখলে নতুন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ নিয়ে হতাশ হওয়ার মতো কিছু হয়নি। তিনি বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোকে কিছু সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে, যাতে তারা বড় হতে পারে।
বিআইবিএমের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে
নতুন ব্যাংকের আদৌ প্রয়োজন আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।
এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহমুদ হুসাইন বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়নের জন্য চার বছর যথেষ্ট নয়। তবে নতুন ব্যাংকগুলো আগ্রাসী ব্যাংকিং করছে। তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংক ১২ বছরে ৬৫টি শাখা খোলে। আর একটি নতুন ব্যাংক মাত্র চার বছরে ৬০টি শাখা খুলেছে। এটা নিঃসন্দেহে আগ্রাসী।
পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, নতুন ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ার বিষয়ে অনেক বেশি আগ্রাসী। এভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া ঋণ দিলে বেকায়দায় পড়বে ব্যাংকগুলো।
কর্মশালায় 'অ্যান ইভালুয়েশন অব দ্য পারফরম্যান্স অব নিউ কমার্শিয়াল ব্যাংকস' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক মো. সোহেল মোস্তফাসহ চার সদস্যের একটি টিম। প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ব্যাংকগুলো করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) অর্থ ব্যয়ে নির্দেশনা মানছে না।
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved