শিরোনাম
 শোক মিছিলে হামলার পরিকল্পনা ছিল: আইজিপি  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে রাঘব-বোয়ালরা জড়িত ছিল: প্রধান বিচারপতি  যতদিন খালেদা জিয়া ভুয়া জন্মদিন পালন করবেন, ততদিন সংলাপ নয়: কাদের
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০১৭, ২১:২২:৪৫

চট্টগ্রামে মহসিন কলেজে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১১

চট্টগ্রাম ব্যুরো
সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

প্রকাশ্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় কলেজ রোডে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল ও দোকানপাট। সাধারণ লোকজন দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।

শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় উভয় পক্ষের ১১ ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে জড়িতরা নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসাবে পরিচিত।

আহতরা হলেন- স্নাতক (পাস) কোর্স শেষ বর্ষের আনোয়ার হোসেন পলাশ, ব্যবস্থাপনা তৃতীয় বর্ষের আহাদ হাসান জিসান ও ইংরেজি প্রথম বর্ষের ছিদ্দিক সোহান, গণিত চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মায়মুন উদ্দিন মামুন, প্রাণিবিদ্যা প্রথম বর্ষের নুর উল্লাহ, অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের মনিরুল ইসলাম, দ্বাদশ শ্রেণীর মোহাম্মদ আরমান  ও অর্থনীতি প্রথম বর্ষের হানিফ সুমন। এছাড়া সাইফুল, বাপ্পী ও বোরহান নামে আরও তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছে।

নগর পুলিশের উপ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন সমকালকে বলেন,‘ক্যাম্পাসে মিছিল করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ গিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। এরপরও তারা মারামারি বন্ধ না করায় লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে মিছিল নিয়ে মহসিন কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার চেষ্টা করে ছাত্রলীগের এক পক্ষ। এতে বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করার অভিযোগ এনে বাধা দেয় ছাত্রলীগের আরেক পক্ষ। এসময় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে পুলিশ দু’পক্ষকে সরিয়ে দিলে গণি বেকারি মোড়ে অবস্থান নেয় এক পক্ষ। অন্য পক্ষ  কলেজের সামনে অবস্থান নেয়। কিছু পর ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এসময় কয়েকজন তরুণের হাতে ধারালো অস্ত্রও দেখা যায়। আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেয় ব্যবসায়ীরা। লোকজন দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। বন্ধ হয়ে যায় কলেজ রোডে যানবাহন চলাচল। পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দিলে প্রায় একঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসাবে পরিচিত মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কাজী নাঈম সমকালকে বলেন, 'স্থানীয় আব্দুর রউফের নেতৃত্বে বহিরাগতরা মিছিল নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে না ঢোকার জন্য বললে তারা চলে যায়। কিছুক্ষণ পর ক্যাম্পাসের পেছনের ফটক দিয়ে এসে আমাদের উপর হামলা শুরু করে। তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। তাদের হামলায় আমাদের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে।'

অপরদিকে আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসাবে পরিচিত স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ সমকালকে বলেন, 'ক্যাম্পাসে নাছির ভাইয়ের অনুসারীরা মিছিল বের করলে রণির (নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রণি) অনুসারীরা তাদের উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে গণি বেকারি মোড়ে গিয়েছিলাম। সেখানে এসেও তারা হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের তিনজন ছেলে আহত হয়েছে।'

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved