শিরোনাম
 সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে বনদস্যুদের গোলাগুলি  একের পর এক সিইও পদত্যাগ করায় ট্রাম্পের ব্যবসায়ী পরিষদ বিলুপ্ত
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০১৭, ১৫:৪৪:৩১

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

পিরোজপুর প্রতিনিধি
পিরোজপুর সদর উপজেলার কালিকাঠি গ্রামে ২০১২ সালে ফিরোজ মাঝি (২২) নামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারীকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান এ আদেশ দেন।

আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কালিকাঠি গ্রামের আমীর আলী খানের ছেলে রেজাউল খাঁন (২৪), প্রয়াত আব্দুল লতিফ মোল্লার ছেলে শাহিনুর রহমান মোল্লা ওরফে শানু (৪০) ও হাকিম বেপারীর ছেলে মিজান বেপারী (২৭)। এদের মধ্যে রেজাউল ও শানু উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কালিকাঠি গ্রামের রেজাউলের মা রেকসনা (৪০), হালিম আকনের ছেলে নিজাম আকন, আনছার উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ (২৩), মোজাম্মেল হোসেন শেখের ছেলে ওমর ফারুক মিঠু (২৪), হাবিবুর রহমান মাতুব্বরের ছেলে মামুন মাতুব্বর, হাকিম তালুকদারের ছেলে লিমন তালুকদার ও সেলিমের ছেলে রাসেল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত ফিরোজ সম্পর্কে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউলের ফুফাতো ভাই এবং তাদের বসবাস ছিল একই এলাকায়। ফিরোজের বোনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল রেজাউল। কিন্তু ফিরোজের মা তার মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেন। এ নিয়ে দুই পরিবারে মধ্যে কয়েক দফায় ঝগড়া বিবাদ হয়, যা শেষ সালিশ অবধি গড়ায়। এর জের ধরে রেজাউলসহ ১২-১৪ জন যুবক ২০১২ সালের ৪ মার্চ রাতে ফিরোজকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ রেজাউলসহ চারজনকে আটক করে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন ফিরোজের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য প্রমাণাদি যাচাই শেষে সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved