শিরোনাম
 এইচএসসিতে পাসের হার ৬৮.৯১%  পরীক্ষায় পাসের হার নয়, মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী  বরগুনার ইউএনওর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার  ওসমানীতে সাড়ে ৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৭, ০২:১৮:০২ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৭, ০৮:৫২:০০

চট্টগ্রাম কাস্টমে ২৪ ঘণ্টা সেবা পেতে যত বাধা

সারোয়ার সুমন, চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পরও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে চালু করা যায়নি ২৪ ঘণ্টার সেবা। এই কাস্টম হাউস থেকে সর্বশেষ অর্থবছরেও এককভাবে সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে সরকার। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যথাযথ মনোযোগ না থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের এই কাস্টম হাউস থেকে কার্যকর সেবা পাচ্ছেন না আমদানি ও রফতানিকারকরা। বরং পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। মূলত কাস্টমসে প্রয়োজনীয় লোকবল এবং ইকুইপমেন্ট না থাকায় আমদানি-রফতানি চালানের নথি যাচাই, চালানের নমুনা পরীক্ষা ও শুল্কায়ন কাজে বাড়তি সময় লাগছে। বন্দর ও কাস্টমসে পণ্য খালাস কার্যক্রমে গতি আনতে আজ নৌ মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।



গত ২ জুলাই সচিব কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ ঘণ্টা পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালুর নির্দেশনা দেন। এরপর ৬ জুলাই এনবিআরের সদস্য (শুল্কনীতি) মো. লুুতফর রহমান এ-সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ জারি করেন। এ আদেশ জারির পর গত সপ্তাহে ব্যবহারকারীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার। এ বৈঠকে ছয়টি সিদ্ধান্ত হলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বাস্তবায়নে।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পর সাপ্তাহিক ছুটির দিন গত শুক্র ও শনিবার আধাবেলা কাস্টম হাউস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যায়নি ব্যাংক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, শিপিং এজেন্টসহ ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। জনবল সংকটের কারণে কাস্টম কর্তৃপক্ষও বন্ধের দিন সেবা চালু রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সরকারকে প্রতিবছর সর্বোচ্চ রাজস্ব দিলেও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে জনবল আছে চাহিদার মাত্র ৪৫ শতাংশ। কনটেইনারে থাকা পণ্য নিরীক্ষণে স্ক্যানার অপরিহার্য হলেও গুরুত্বপূর্ণ এ সরঞ্জাম রয়েছে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ। এসব সংকটের কারণে কাস্টম হাউসে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ঘুষ-দুর্নীতির সুযোগ পাচ্ছে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান সমকালকে বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিদ্যমান সমস্যা দীর্ঘদিনের। জনবল সংকট নিরসন করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশন থেকে বেশ কিছু শূন্যপদ পূরণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে সহকারী কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনার পদে কিছু শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। প্রক্রিয়াধীন আছে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের কাজ। চীন থেকে আনা হচ্ছে কয়েকটি স্ক্যানারও। শিগগির এসবের পূর্ণাঙ্গ সুফল পাবে সবাই। তবে কাস্টম হাউসকে গতিশীল করতে ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি মনে করেন।



শুরুতেই হোঁচট খেল ২৪ ঘণ্টার উদ্যোগ: কাস্টম হাউস ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ছয়টি সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো হলো_ শুক্র ও শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত কাস্টমসের শুল্কায়ন শাখা খোলা রাখা, রবি থেকে বৃহস্পতিবার কাস্টমসের শুল্কায়ন শাখা ৫টার স্থলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা, বিএল (বিল অব লেডিং) নিয়ে কেউ অপেক্ষমাণ থাকলে প্রয়োজনে এর চেয়েও বেশি সময় শাখা খোলা রাখা, সপ্তাহের সাত দিন জেটিতে পণ্যের পরীক্ষা কমপক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখা, শুক্র ও শনিবার এক বেলা সোনালী ব্যাংকের কাস্টমস শাখা খোলা রাখা, সপ্তাহের অন্যান্য দিন এ শাখায় নগদ লেনদেন ৫টার বদলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চালু রাখা, জেটির ওয়ান স্টপ সেন্টার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং শিপিং এজেন্ট ও ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্সদের যেখান থেকে ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) দেওয়া হয় সেসব শাখাও প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা। গত শুক্র ও শনিবার অর্ধদিবস কাস্টম হাউস খোলা থাকলেও সেবা পাননি আমদানি-রফতানিকারকরা। কারণ, কাস্টমসের সোনালী ব্যাংকের সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে বন্ধ থাকায় ছুটির দিনে তা যথাযথভাবে কাজ করেনি। আবার সিঅ্যান্ডএফ, শিপিং এজেন্ট, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্সদেরও সংশ্লিষ্টদের শাখায় ছিল না জনবল। শুক্রবার কাস্টম হাউসে শুল্কায়নের জন্য আসেনি কেউই। আর শনিবার শুল্কায়ন হয়েছে মাত্র ৪০টি নথি।



জনবল আছে চাহিদার ৪৫ শতাংশ: জনবল সংকটের কারণে আমদানি-রফতানি চালানের নথি যাচাই, চালানের নমুনা পরীক্ষা ও ডাটাবেজের তথ্য যাচাই করতে হিমশিম খাচ্ছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। তাই চট্টগ্রাম কাস্টমসের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এনবিআরে পাঠানো এক চিঠিতে শূন্যপদের বিপরীতে ২০ জন সহকারী কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনার এবং ৭৫ জন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদায়নের অনুরোধ করা হয়। সংস্থাপন শাখার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখানে অনুমোদিত এক হাজার ২৪৮টি পদের স্থলে আছেন ৫৬৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ হিসাবে শূন্য রয়েছে ৬৮১টি পদ। সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান), প্রোগ্রামার ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদের ছয়টিই শূন্য। এক-তৃতীয়াংশের কম লোকবল রয়েছে ডেপুটি কমিশনার, রাজস্ব ও স্টাফ শাখায়। ডেপুটি কমিশনারের ১৬টি পদের বিপরীতে তিনজন, রাজস্ব শাখায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার ৪৮৭টি পদের স্থলে ১৭২ জন এবং পাঁচটি যুগ্ম কমিশনার পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন তিনজন। ১১৯টি রাজস্ব কর্মকর্তার স্থলে ৭৬ জন, ৪৭টি সহকারী কমিশনারের স্থলে ৩৪ জন, ৪২৩টি তৃতীয় শ্রেণির স্টাফ পদের বিপরীতে ১৮১ এবং ১৪১টি চতুর্থ ও অন্যান্য পদের স্থলে ৯৪ জন কর্মরত আছেন। আশানুরূপ সেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না মূলত লোকবলের অভাবের কারণে।



স্ক্যানিং ছাড়াই খালাস হচ্ছে ৫৫ শতাংশ পণ্য: ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এক আইনে আমদানি-রফতানি পণ্য স্ক্যানিং ছাড়া খালাস না করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। আর চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্যানিংয়ের কাজটি করছে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান এসজিএস। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানিতে নয় লাখ দুই হাজার ৪৭০টি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র চার লাখ ২৫ হাজার ৬৮৯টি কনটেইনার স্ক্যানিং হয়েছে। স্ক্যানিং ছাড়া বের হয়েছে পণ্যভর্তি চার লাখ ৭৬ হাজার ৭৮১টি বা ৫৫ শতাংশ কনটেইনার। পর্যাপ্ত স্ক্যানার না থাকায় কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে পণ্য খালাস করার অনুমতি দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এতে ব্যবসায়ীদের সময় লাগছে বেশি। গচ্ছা যাচ্ছে অর্থও। জেটির দায়িত্বে থাকা এক কাস্টম কর্মকর্তা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে কমপক্ষে ১৬টি স্ক্যানার দরকার। কাজ করতে হচ্ছে মাত্র পাঁচটি দিয়ে।



কাস্টমসে বাধা পদে পদে: শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় আগে 'এসাইকুডা প্লাস প্লাস' সিস্টেম নামে একটি সফটওয়্যার চালু থাকলেও ২০১৪ সাল থেকে কাস্টম হাউস 'এসআইকুডা ওয়ার্ল্ডের' আওতায় এসেছে। কিন্তু সার্ভারে সমস্যা হওয়ায় প্রায়ই ব্যাঘাত ঘটছে শুল্কায়নের কার্যক্রম। নিলাম, বন্ড ও ল্যাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলো এখনও আসেনি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের আওতায়। ওয়ার্ল্ড কাস্টম অরগানাইজেশনের নির্দেশনা মেনে আনা হয়নি পর্যাপ্ত স্ক্যানারও। এ জন্য কিছু পণ্য ১০ শতাংশ, আবার কিছু পণ্য শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে কাস্টম হাউস। শতভাগ কায়িক পরীক্ষায় সাত থেকে আট দিন বাড়তি সময়ক্ষেপণ হওয়ায় ঘুষ দিয়ে এটি এড়াতে চায় আমদানিকারক। পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট ব্যবস্থা শক্তিশালী না হওয়ায় জাল দলিলপত্র তৈরি করেও পণ্য খালাস করে ফেলার চেষ্টায় থাকেন অসাধু কিছু ব্যবসায়ী। আবার ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে সরাসরি দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তির বিধান না থাকায় তাদের সহযোগী হচ্ছে কাস্টমসেরই কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী।



ঘুষ-দুর্নীতির সুযোগ: পর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতি না থাকায় কাস্টমসে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতির সুযোগ পায়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আমদানি পর্যায়ে সাত ধাপে ও রফতানি প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন ধাপে ঘুষ দিতে হয় কাস্টম কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। জাহাজে পণ্য আসা নিশ্চিত হলে শিপিং এজেন্ট থেকে আমদানি চালানের আইজিএম (ইমপোর্ট জেনারেল ম্যানুফেস্ট) নেওয়া হয়। গার্মেন্টের কেমিক্যাল কিংবা ডাইস জাতীয় পণ্য হলে নৌবাহিনী থেকে নিতে হয় ছাড়পত্র। এটি পেতে সময় লাগে দু'তিন দিন। এটি পাওয়ার পর বিল অব ল্যান্ডিং কপি, ইনভয়েস প্যাকিং লিস্ট, এলসি, এলসিএ ও পিআইএর কপি, ইন্স্যুরেন্স, মূসক চালান কিংবা বিটিএমসির ছাড়পত্র যুক্ত করে বিল অব এন্ট্রি (আমদানি নথি) দাখিল করতে হয় কাস্টম হাউসে। দ্রুত শুল্কায়ন করতে হলে এ পর্যায়ে ঘুষ দিতে হয় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও রাজস্ব কর্মকর্তাদের।



কে কী বলেন:  এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাস্টম কমিশনার এ এফ এম আবদুল্লাহ খান সমকালকে বলেন, 'জনবল, যন্ত্রপাতি ও ডিজিটাল সিস্টেম পুরোপুরি কার্যকর থাকলে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা যাবে। কমে যাবে ঘুষ- দুর্নীতির অভিযোগও। এ জন্য ব্যাংক, শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফসহ ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে।'



শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, 'শুধু বন্দর-কাস্টম ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখলে হবে না, ব্যাংকও খোলা থাকতে হবে। বন্ধের দিন কাজ করতে আমরা শিফটিং করে জনবল ভাগ করে দেব।'



সোনালী ব্যাংক কাস্টম হাউস শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, 'রফতানি পণ্যের মতো আমদানি পণ্যেও প্রি-পেইড অ্যাকাউন্ট থাকলে ২৪ ঘণ্টা কোনো ঝামেলা ছাড়াই মাসুল পরিশোধ করা যাবে। বিশেষ ব্যবস্থায় সাপোর্ট পেতে হবে কেন্দ্রীয় সার্ভার থেকেও। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন মহলকেও জানিয়েছি।'



সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম আকতার হোসেন বলেন, 'জেটি থেকে ২৪ ঘণ্টা পণ্য খালাস নিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে সদস্যদের।'



বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, 'হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত হওয়ায় তারা এখনও গুছিয়ে উঠতে পারেননি। তবে সদস্যদের কাছে নতুন বার্তা পেঁৗছে দেওয়া হয়েছে।'



পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান ও চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, 'বন্দর ও কাস্টমস ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান। তবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।


মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved