শিরোনাম
 এইচএসসিতে পাসের হার ৬৮.৯১%  পরীক্ষায় পাসের হার নয়, মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী  বরগুনার ইউএনওর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার  ওসমানীতে সাড়ে ৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৭, ২৩:০১:৩১ | আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৭, ২৩:০২:৪১

দুদকের চার্জশিটভুক্ত আসামি হয়েও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ কর্মকর্তার পদোন্নতি

রংপুর অফিস
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হয়েও পদোন্নতি পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ কর্মকর্তা।

এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার শাহজাহান আলী মণ্ডলকে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার, উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এটিজিএম গোলাম ফিরোজকে অতিরিক্ত পরিচালক, সহকারী রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উর আলমকে উপ-রেজিস্ট্রার এবং সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার আশরাফুল আলমকে উপ-পরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৩তম সভায় তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য ও পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য রংপুর বিভাগীয় কমিশনার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে যাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে তাদের পদোন্নতি না দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন; কিন্তু তা মানা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে গত ১৯ মার্চ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল জলিল মিয়াসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় দুদক। এতে সাক্ষী করা হয় ২১ জনকে। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুরের উপসহকারী পরিচালক আকবর আলী।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আবদুর জলিল মিয়া, সাবেক রেজিস্ট্রার (বর্তমানে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত) শাহজাহান আলী মণ্ডল, উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এটিএম গোলাম ফিরোজ, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার আশরাফুল আলম এবং সহকারী রেজিস্ট্রার মোর্শেদ-উল-আলম রনি। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্য আবদুল জলিল মিয়া বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে কর্মরত রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইব্রাহীম কবীর জানান, 'আমরা দুদকের কাছ থেকে ওই চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক কাগজ পাইনি। তাই তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ওই কর্মকর্তাদের বিষয়ে কোনো নির্দেশনাও ছিল না দুদকের।'

দুদক রংপুরের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী জানিয়েছেন, 'চার্জশিটভুক্ত আসামিদের পদোন্নতি দিতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা কীভাবে এটা করল তা আমাদের জানা নেই।'

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য ও পদোন্নতি বোর্ডের সদস্য রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ বলেন, 'ঢাকায় থাকার কারণে আমি সিন্ডিকেট সভায় থাকতে পারিনি। তবে আমি উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে বলেছিলাম, যাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে তাদের যেন পদোন্নতি দেওয়া না হয়। কিন্তু তারা আমার কথা মানেননি।

এ ব্যাপারে উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved