শিরোনাম
 এইচএসসিতে পাসের হার ৬৮.৯১%  পরীক্ষায় পাসের হার নয়, মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী  বরগুনার ইউএনওর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার  ওসমানীতে সাড়ে ৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৭, ২২:২৭:৩৭ | আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৭, ২২:২৮:২৩

শিশু আদুরিকে নির্যাতন মামলার রায় মঙ্গলবার

সমকাল প্রতিবেদক
শিশু আদুরির ওপর বর্বর নির্যাতনের মামলার রায় মঙ্গলবার। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার রায় ঘোষণা করবেন। ২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্লবীর একটি ডাস্টবিন থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় আদুরিকে (১১) উদ্ধার করা হয়েছিল। চার বছরের ব্যবধানে আদুরির শারীরিক কাঠামো পরিবর্তন হলেও নির্যাতনের ক্ষতচিহ্নগুলো এখনও রয়ে গেছে।

আদুরি পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠির কৌরাখালি গ্রামের প্রয়াত খালেক মৃধার কনিষ্ঠ কন্যা। অভাবের সংসারে মা সাফিয়া বেগম দিশেহারা হয়ে নয় সন্তানকেই গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজে দেন। আদুরিকে এক প্রতিবেশীর সহযোগিতায় রাজধানীর  পল্লবীতে নওরীন জাহান নদীর বাসায় কাজে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে নানা অজুহাতে দিনের পর দিন অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয় আদুরি। নির্যাতনের একপর্যায়ে নদী ও তার মা মৃত ভেবে আদুরিকে ডাস্টবিনে ফেলে দেন। সেখান থেকে  দুই নারী কর্মী অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন আদুরিকে। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। দেড় মাস চিকিৎসার পর সুস্থ হলে পরিবারের কাছে আদুরিকে হস্তান্তর করা হয়।

ডাস্টবিন থেকে উদ্ধারের পর আদুরির মামা এক বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরী নজরুল চৌধুরী বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় নদী  ও তার মা ছাড়াও নদীর স্বামী সাইফুল ইসলাম মাসুদ, তাদের আত্মীয় সৈয়দ চুন্নু মীর ও রনিকে আসামি করা হয়।

আদালতে জবানবন্দিতে আদুরি বলে, গৃহকর্ত্রী নদী তাকে দিনে একবেলা মুড়ি খেতে দিত। বাসার ব্যালকনিতে থাকতে দিত। মাঝেমধ্যে লবণ দিয়ে ভাত দিত। প্রায়ই গরম ইস্ত্রি দিয়ে ছেঁকা দিত শরীরের বিভিন্ন স্থানে। আদুরি বর্তমানে জৈনকাঠি ছালিয়া দাখিল মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved