শিরোনাম
 সিদ্দিকুরকে চেন্নাই নেয়া হচ্ছে  ইতিহাস সংস্কৃতিকে তুলে ধরে উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন: প্রধানমন্ত্রী  সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরা পাড়ার আরেক শিশুর মৃত্যু  সংবিধানিক অধিকারকে খাঁচায় বন্দি রেখেছে সরকার: রিজভী
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৭, ২১:১৮:১৪ | আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৭, ০৯:৫২:২৫

অজ্ঞাত রোগ: সুস্থ হয়ে উঠছে অর্ধশতাধিক শিশু

শৈবাল আচার্য্য ও এম সেকান্দর হোসাইন, চট্টগ্রাম
অঞ্জনা ত্রিপুরা। বয়স সাত। দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টিহীনতায় ভোগে সে। তার মধ্যে আবার শরীরে দেখা দেয় জ্বরও। শরীরে পুষ্টিহীনতার মাত্রা একেবারে নিচে চলে আসায় মুখে দেখা দিয়েছে ঘাঁ। ফলে মুখ দিয়ে যেমন কিছু খেতে পারতো না; ভালোভাবে কথাও বলতে পারতো না। একেবারে দুর্বল হয়ে গিয়েছিল সে। তবে দুইদিন আগের অঞ্জনার শারীরিক এমন অবস্থা এখন অনেকটা ভালোর দিকে। বর্তমানে সে নিজের হাতে ভাত খেতে পারছে, কথা বলার পাশাপাশি খেলতেও পারছে।
 
অজ্ঞাত রোগ: সুস্থ হয়ে উঠছে অর্ধশতাধিক শিশু
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগের ৫৪ বেডে চিকিৎসাধীন থাকা অঞ্জনা আস্তে-আস্তে ফিরে পারছে স্বাভাবিক জীবন। তবে কেবল অঞ্জনাই নয়; চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক শিশুই এখন সুস্থের পথে। সন্তানদের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেকটা ভালো হওয়ায় এসব শিশুর মা-বাবার মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি।
 
সরেজমিনে চমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড গিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুদের নিজ হাতে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি মা-বাবা ও পাশের বেডে থাকা শিশুর সঙ্গে হাসতে এবং খেলতে দেখা যায়।
 
এদিকে সীতাকুণ্ডে ত্রিপুরা পল্লীতে শনিবার আরও ১৫ শিশু ও এক গর্ভবতী নারী অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি সংযুক্ত সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ সমকালকে বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার পাওয়ায় অসুস্থ শিশুরা দ্রুত ভালো হচ্ছে। দুইদিন আগেও যেসব শিশু ভালো করে খেতে পারেনি, কথা বলতে পারেনি তারা এখন তা পারছে। ভাত খাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাধীন শিশুরা বিভিন্ন ফল-ডিম ইত্যাদি খেতে পারছে।
 
অজ্ঞাত রোগ: সুস্থ হয়ে উঠছে অর্ধশতাধিক শিশু
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী সমকালকে বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে ওই শিশুদের সার্বক্ষণ তদারকি করা হচ্ছে। দুই বেলা ভাতের পাশাপাশি পুষ্টিকর নানা খাবারও সরবরাহ করা হচ্ছে। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যেসব শিশুর অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের প্রয়োজন হচ্ছে তাও সরবরাহ করা হচ্ছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
 
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, শনিবার আরো ১৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন গর্ভবর্তী নারী রয়েছেন। কয়েকজনকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে তিনদিন ধরে চিকিৎসাধীন রোগীদের অবস্থা আগের চেয়ে অনেকটা ভালোর দিকে।
আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved