শিরোনাম
 সিদ্দিকুরকে চেন্নাই নেয়া হচ্ছে  ইতিহাস সংস্কৃতিকে তুলে ধরে উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন: প্রধানমন্ত্রী  সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরা পাড়ার আরেক শিশুর মৃত্যু  সংবিধানিক অধিকারকে খাঁচায় বন্দি রেখেছে সরকার: রিজভী
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০১৭, ১১:০০:২৩

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধির হার কমলেও বিপদসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার ওপরে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
যমুনায় পানি বাড়ার হার কমলেও সিরাজগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জানান,  বুধবার সন্ধা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৫ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি জেলা পয়েন্টে মাত্র ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে এখনও বিপদ সীমার ৭৩ সেন্টিমিটার ওপরে থাকায় যমুনা পাড়ের সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সেসাথে পাউবোর নদী তীর রক্ষা বাঁধের কিছু কিছু স্থানে ঝুকি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ২১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বৃহস্পতিবার সকালে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসের হিসেব অনুযায়ী জেলার সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরের ৩১ টি ইউনিয়নের ২২৪ টি গ্রামের ৪০ হাজার ৬৪০ টি পরিবারের প্রায় ৭৪ হাজার ৮৬ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এসব উপজেলার ১২৫০ টি বাড়িঘর বন্যায় সস্পূর্ণ এবং ৭ হাজার ৫’শ ৪২ টি ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, বন্যার্তদের মাঝে ১১৮ মেঃটন ক্ষয়রাতি চাল এবং ৩ লাখ ৩৫ হাজার নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, যমুনার পশ্চিম পাড়ে কাজিপুর সদরের মাছুয়াকান্দি এলাকায় পাউবোর ৩ নং ক্রসবার বাঁধের ভাঙ্গন ও ধ্বসে বিলীন হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত ৯ জনকে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন, ৩ হাজার নগদ অর্থ এবং ১০ কেজি করে ক্ষয়রাতি চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) আরশেদ আলী বলেন, চলমান বন্যায় জেলার ওই ৫টি উপজেলার ৭ হাজার ৫’শ ১৭ হেঃ এলাকায় ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। বন্যা নেমে না গেলে স্পষ্টতও বোঝা যাবে না যে ঠিক কতটুকু ফসলের ক্ষতি হয়েছে।      

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দীক মো. ইউসুফ রেজা বলেন, জেলার ৪টি উপজেলায় প্রায় দু’শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। তারপরেও নিজস্ব উদ্দ্যোগে উচু রাস্তাঘাট ও বাঁধের ওপর অস্থায়ীভাবে পাঠদান চালু রাখার জন্য ওই সমস্ত এলাকার শিক্ষকদের বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved