শিরোনাম
 সিদ্দিকুরকে চেন্নাই নেয়া হচ্ছে  ইতিহাস সংস্কৃতিকে তুলে ধরে উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন: প্রধানমন্ত্রী  সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরা পাড়ার আরেক শিশুর মৃত্যু  সংবিধানিক অধিকারকে খাঁচায় বন্দি রেখেছে সরকার: রিজভী
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৭, ০১:২৫:২০
ভোটের হাওয়া - নেত্রকোনা-২

দু'দলেই প্রার্থীর ছড়াছড়ি, চ্যালেঞ্জে পড়বেন জয়

খলিলুর রহমান শেখ, নেত্রকোনা

গত নির্বাচনে সহজে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেও এবার রীতিমতো কঠিন লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়কে। দলের ভেতরে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী তাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বিএনপিতেও একই অবস্থা। দলের মনোনয়নের জন্য লড়ছেন একাধিক প্রার্থী।

নেত্রকোনা-২ আসনটি সব সময়ই আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০০১ সালের নির্বাচন ছাড়া আর কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। গত নির্বাচনে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক

আরিফ খান জয়। পরে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি নানা কর্মকাণ্ডে ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন। তা ছাড়া বর্তমান সরকারের আমলে দেশজুড়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হলেও নেত্রকোনা সদর ও বারহাট্টা উপজেলার এই নির্বাচনী আসন এলাকায় উন্নয়নের তেমন একটা ছোঁয়া লাগেনি। অবশ্য এর সঙ্গে একমত নন আরিফ খান জয়। তার দাবি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম, পাসপোর্ট অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস, সড়ক সংস্কার ও মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করেছেন তিনি। এ কারণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী।

তবে আওয়ামী লীগের অনেক স্থানীয় নেতাকর্মীর দৃষ্টিতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনার পুরোভাগে থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু। তিনি ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছেন। সমকালকে খসরু বলেন, মানুষের জন্যই রাজনীতি করছি। মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য আবারও দলের মনোনয়ন চাইব।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মতিয়র রহমান খানও মনোনয়নপ্রত্যাশী। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে আগ্রহ রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন, তাকেই বিজয়ী করার লক্ষ্যে কাজ করবেন। নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, গত চারবারের মতো এবারও তিনি দলের মনোনয়ন চাইবেন। অবশ্য মনোনয়ন না পেলেও তিনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কাজ করবেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সামছুজ্জোহাও মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই নেতা দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার পর দলীয় পদ-পদবি হারিয়েছেন। সামছুজ্জোহা বলেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার সম্পর্কে দলীয় প্রধানকে ভুল বোঝানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, সুবিধাবাদের রাজনীতিতে বিশ্বাসী লুটেরা ও চাটুকাররা দলে ভিড় জমিয়েছে। এরা এলাকার উন্নয়নে কাজ করে না। তাই তিনি এবার দলের মনোনয়ন চাইবেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুন নুর খান। তিনি ২০০১ সাল থেকে দলের মনোনয়ন চাইছেন। আব্দুন নুর খান নিজেকে যোগ্য প্রার্থী দাবি করে বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করার চেষ্টা করবেন। মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা সামছুর রহমান ওরফে ভিপি লিটন জানিয়েছেন, দলের মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে তিনি সরকারের চলমান উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখবেন।

এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন সংগঠনের জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন খান। তিনি এরশাদের শাসনামলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, 'আমাদের ওপর অনেক ঝড়-ঝাপটা যাচ্ছে। লড়াই করে টিকে থাকতে হচ্ছে। আশা করি, দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।' জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরকারি চাকরি ছেড়েছেন। তিনি বলেন, 'হামলা-মামলার শিকার হয়েও দলের স্বার্থে কাজ করছি। দল নিশ্চয়ই এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখবে।' জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন এর আগে মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হলেও এবারও বেশ আশাবাদী। তিনি বলেন, বিপদে-আপদে সব সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গেই আছি। আশা করছি, আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মিয়াও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন। তবে তিনি এলাকায় বেশি একটা আসেন না। নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই তিনি এলাকায় সক্রিয় হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এটিএম আবদুল বারী ড্যানীও মনোনয়নপ্রত্যাশী। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান নূরু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ডা. দেলোয়ার হোসেন টিটুও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এসএম মনিরুজ্জামান দুদু বলেছেন, দলের দুর্দিনে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে অংশ নেব।

নেত্রকোনায় জাতীয় পার্টির তেমন কোনো দলীয় কর্মকাণ্ড নেই। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন চাইবেন সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী খান, সদস্য সচিব মান্নান খান আরজু এবং কৃষক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কাসেম।

এই আসনে জাসদের সম্ভাব্য প্রার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, '১৪ দলের শরিক দল হিসেবে মনোনয়ন চাইব। আশা করি, জোটের মনোনয়ন পাব।'

আগামীকাল :ভোলা-১ আসন

ভোটের হাওয়া - নেত্রকোনা-২ দু'দলেই প্রার্থীর ছড়াছড়ি, চ্যালেঞ্জে পড়বেন জয় খলিলুর রহমান শেখ, নেত্রকোনা গত নির্বাচনে সহজে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেও এবার রীতিমতো কঠিন লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়কে। দলের ভেতরে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী তাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বিএনপিতেও একই অবস্থা। দলের মনোনয়নের জন্য লড়ছেন একাধিক প্রার্থী। নেত্রকোনা-২ আসনটি সব সময়ই আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০০১ সালের নির্বাচন ছাড়া আর কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। গত নির্বাচনে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ খান জয়। পরে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি নানা কর্মকাণ্ডে ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন। তা ছাড়া বর্তমান সরকারের আমলে দেশজুড়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হলেও নেত্রকোনা সদর ও বারহাট্টা উপজেলার এই নির্বাচনী আসন এলাকায় উন্নয়নের তেমন একটা ছোঁয়া লাগেনি। অবশ্য এর সঙ্গে একমত নন আরিফ খান জয়। তার দাবি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম, পাসপোর্ট অফিস, যুব উন্নয়ন অফিস, সড়ক সংস্কার ও মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করেছেন তিনি। এ কারণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী। তবে আওয়ামী লীগের অনেক স্থানীয় নেতাকর্মীর দৃষ্টিতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনার পুরোভাগে থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু। তিনি ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছেন। সমকালকে খসরু বলেন, মানুষের জন্যই রাজনীতি করছি। মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য আবারও দলের মনোনয়ন চাইব। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মতিয়র রহমান খানও মনোনয়নপ্রত্যাশী। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে আগ্রহ রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন, তাকেই বিজয়ী করার লক্ষ্যে কাজ করবেন। নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, গত চারবারের মতো এবারও তিনি দলের মনোনয়ন চাইবেন। অবশ্য মনোনয়ন না পেলেও তিনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কাজ করবেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সামছুজ্জোহাও মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই নেতা দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার পর দলীয় পদ-পদবি হারিয়েছেন। সামছুজ্জোহা বলেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার সম্পর্কে দলীয় প্রধানকে ভুল বোঝানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, সুবিধাবাদের রাজনীতিতে বিশ্বাসী লুটেরা ও চাটুকাররা দলে ভিড় জমিয়েছে। এরা এলাকার উন্নয়নে কাজ করে না। তাই তিনি এবার দলের মনোনয়ন চাইবেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুন নুর খান। তিনি ২০০১ সাল থেকে দলের মনোনয়ন চাইছেন। আব্দুন নুর খান নিজেকে যোগ্য প্রার্থী দাবি করে বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করার চেষ্টা করবেন। মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা সামছুর রহমান ওরফে ভিপি লিটন জানিয়েছেন, দলের মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে তিনি সরকারের চলমান উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখবেন। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন সংগঠনের জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন খান। তিনি এরশাদের শাসনামলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, 'আমাদের ওপর অনেক ঝড়-ঝাপটা যাচ্ছে। লড়াই করে টিকে থাকতে হচ্ছে। আশা করি, দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।' জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরকারি চাকরি ছেড়েছেন। তিনি বলেন, 'হামলা-মামলার শিকার হয়েও দলের স্বার্থে কাজ করছি। দল নিশ্চয়ই এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখবে।' জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন এর আগে মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হলেও এবারও বেশ আশাবাদী। তিনি বলেন, বিপদে-আপদে সব সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গেই আছি। আশা করছি, আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মিয়াও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন। তবে তিনি এলাকায় বেশি একটা আসেন না। নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই তিনি এলাকায় সক্রিয় হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এটিএম আবদুল বারী ড্যানীও মনোনয়নপ্রত্যাশী। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান নূরু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ডা. দেলোয়ার হোসেন টিটুও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এসএম মনিরুজ্জামান দুদু বলেছেন, দলের দুর্দিনে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে অংশ নেব। নেত্রকোনায় জাতীয় পার্টির তেমন কোনো দলীয় কর্মকাণ্ড নেই। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন চাইবেন সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী খান, সদস্য সচিব মান্নান খান আরজু এবং কৃষক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কাসেম। এই আসনে জাসদের সম্ভাব্য প্রার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, '১৪ দলের শরিক দল হিসেবে মনোনয়ন চাইব। আশা করি, জোটের মনোনয়ন পাব।' আগামীকাল :ভোলা-১ আসন


মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved