শিরোনাম
 এক মাস কঠোর সংযমের পর এলো খুশির ঈদ  ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত  ঈদের জামাতে দেশের কল্যাণ কামনা
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৮ জুন ২০১৭, ০২:০৯:০৯

মসলার বাজার গরম

সমকাল প্রতিবেদক

ঈদ সামনে রেখে বাজারে বেড়েছে সব ধরনের মসলার দাম। প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেছে। এর ফলে এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, আলুবোখারাসহ গরম মসলার বাজার গরম হয়ে গেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কিশমিশের দাম। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানি করা রসুনের দাম অর্ধেকে নেমেছে। চিনির দামও কমেছে। অন্যান্য পণ্যের দাম অনেকটা স্থিতিশীল আছে।



ঈদ এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদবাজারে মসলার বাড়তি চাহিদা রয়েছে। এর সঙ্গে প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেশি। এ কারণে মসলার দাম বেড়েছে।



এবার প্রস্তাবিত বাজেটে মসলার আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে মসলায় ১০ শতাংশ শুল্ক বেড়েছে।



ঈদের বাজারে বেশি চাহিদার মসলা খুচরায় জিরার দাম কেজিতে গড়ে ৬০ টাকা বেড়ে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা হয়েছে। এলাচ কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা হয়েছে। আলুবোখারা কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৫০০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কিশমিশ কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশে এখন জিরা আমদানি হচ্ছে ভারত ও

সিরিয়া থেকে। বাজেট ঘোষণার পর পুরান ঢাকার পাইকারি বাজারে ভারতীয় জিরার দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা, সিরিয়ার জিরা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেড়ে ৩৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাচ, দারুচিনিসহ অন্যান্য মসলার দামও বেড়েছে।



ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াচ্ছেন বলে কারওয়ান বাজারের রামগঞ্জ স্টোরের খুচরা বিক্রেতা জাকির হোসেন অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মসলার বাজার গুটিকয়েক আমদানিকারকের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের ওপর নির্ভর করছে বাজার দাম। পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের জানিয়েছেন বাজেটে বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে, এ কারণে মসলার দাম বেড়ে গেছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করেন, ঈদকে ঘিরে সব সময় মসলার দাম বাড়াতে থাকেন ব্যবসায়ীরা। বাড়তি শুল্ক দিয়ে আনা মসলা এখনও বাজারে না এলেও দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।



এদিকে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কমেছে। কেজিতে ৩ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ প্রতিকেজি ২৮ থেকে ৩২ টাকা ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকা। রোজার শুরুতে রসুনের দাম বাড়তে বাড়তে প্রতি কেজি চীনা রসুন ৪০০ টাকায় পেঁৗছে। এখন তা অর্ধেক কমে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় রসুন কেজিতে ৩০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা ও দেশি রসুন কেজিতে ২০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

চাল ও লবণ আগের মতোই চড়া। তবে কমেছে চিনি ও ছোলার দাম। খোলা চিনির দাম কেজিতে ৩ টাকা কমে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সবজি, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য পণ্যের দামে তেমন হেরফের নেই।


মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved