শিরোনাম
 খালেদার বিরুদ্ধে কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা চলবে  সরিয়ে ফেলা ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন অ্যানেক্স ভবনের সামনে  শিরোপা দিয়ে এনরিকেকে বিদায় বার্সার  চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ আর্সেনালের
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ২০ মে ২০১৭, ০১:৪৬:২০ | আপডেট : ২০ মে ২০১৭, ১৫:১৩:০১

ভূমিমন্ত্রীর গৃহবিবাদে ঈশ্বরদীতে নৈরাজ্য

এবিএম ফজলুর রহমান, পাবনা ও সেলিম সরদার,ঈশ্বরদী

দিনের আলোয় মুখে কালো কাপড় বেঁধে চালানো হয় সশস্ত্র হামলা; মূল লক্ষ্য ছিল ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর জামাতা ও ঈশ্বরদীর পৌর মেয়র আবুল কামাল আজাদ মিন্টুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। হামলার নেতৃত্ব দেন আবার ভূমিমন্ত্রীরই ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব সরকার। একই সময়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দোকানে হামলার পাশাপাশি মিন্টুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি যুবায়ের বিশ্বাসের বাড়িতেও ভাংচুর চালানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতেই মামলা করেন যুবায়েরের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার বিশ্বাস। কিছু সময় পরই মন্ত্রীর বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। ভোরের দিকে ভূমিমন্ত্রীর 'ক্ষমতাধর' ছেলেসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান।

স্থানীয়রা বলছেন, মূলত ভূমিমন্ত্রীর গৃহবিবাদে ঈশ্বরদীর পরিবেশ অস্থিতিশীল; ঘটছে হামলা-ভাংচুর, চাঁদাবাজিসহ হত্যার মতো ঘটনাও। বৃহস্পতিবারের তাণ্ডবও একই কারণে। একদিকে রয়েছে তার জামাতা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিন্টু, অন্যদিকে ছেলে তমাল। তবে পরিবারটির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ কিংবা ছাত্রলীগ নয়, বিরোধ মূলত জামাই-শ্বশুরে। ভূমিমন্ত্রী তার আধিপত্য ধরে রাখতেই তমালকে রাজনীতির মাঠে নামিয়েছেন। জামাই না শ্বশুর কে বেশি ক্ষমতাধর এলাকায় তার প্রদর্শন চলছে। উভয়পক্ষই হামলা-ভাংচুর, প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন ও নানাভাবে পেশিশক্তির ব্যবহার করছে। ইতিমধ্যেই তমাল গড়ে তুলেছেন নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে অসহায় সাধারণ মানুষ; ভয়-আতঙ্কও নিত্যসঙ্গী। ভূমিমন্ত্রীর ছেলের 'ইশারা' ছাড়া ঈশ্বরদীতে কোনো কাজই হয় না। দখল-আধিপত্য-চাঁদাবাজিতে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। আর নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে স্থানীয় কয়েকজন নেতা একবাক্যে বলেছেন, জামাই-শ্বশুরের কোন্দলে ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিও বিপর্যপ্ত।

আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের

একাধিক নেতাকর্মীর কথায়ও ভূমিমন্ত্রীর পারিবারিক বিরোধের পুরো চিত্র পাওয়া গেছে। তারা জানায়, একসময় ঈশ্বরদীতে একক আধিপত্য ছিল মন্ত্রীর জামাতা মিন্টুর। তার কথায় সবকিছু হতো। ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে মিন্টুর নানা নির্দেশ পালন করতেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম খান ও যুবায়ের বিশ্বাস। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায়, পাবনা-৪ (আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী) আসনের সাংসদ ও ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমানের কথাও ওই তিনজন অমান্য করতে শুরু করেন। এরই মধ্যে গত বছরের ২৫ জুন যুবায়েরের গুলিতে তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় দীর্ঘদিন এ ছাত্রলীগ নেতা আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হন। এরপর মিন্টুর নির্দেশে আরও একটি আলোচিত ঘটনার জন্ম দেন সালাম খান ও যুবায়ের। তাদের নেতৃত্বে গত বছরের ১০ আগস্ট ঈশ্বরদীতে মন্ত্রী-সমর্থকদের জঙ্গিবিরোধী মিছিলে গুলি ও হামলা চালানো হয়। ওইসময় থেকেই জামাই-শ্বশুরের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নেয়। সালাম খান ও যুবায়ের বিশ্বাসকে পদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণাও দেন মন্ত্রী। এরপরই মিন্টু কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এতে তাদের পদ্মা নদীর বালুমহাল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঠিকাদারি হাতছাড়া হয়ে যায়। তবে অন্য একটি সূত্র জানায়, মিন্টুকে দিয়ে শুরুতে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন ভূমিমন্ত্রীর পত্নী কামরুন্নাহার শরীফ। তবে পরিবারটির খারাপ কাজগুলো জনসমক্ষে চলে আসায় তিনি রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে 'নির্বাসিত' হন।

জানা যায়, ঠিকাদারি ও কর্তৃত্ব ধরে রাখতে মন্ত্রী বিকেএসপিতে অধ্যয়নরত তমালকে ঈশ্বরদী নিয়ে আসেন। পাঁচ ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তার অবস্থান সপ্তম। গত বছরের ১৯ নভেম্বর বাবার দৌলতে উপজেলা যুবলীগের সভাপতির পদ পান তিনি। একইসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক করা হয় রাজীব সরকারকে। পদ পাওয়ার পরই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তমাল। রাজীব সরকারের সার্বক্ষণিক পরামর্শে উপজেলার সব প্রতিষ্ঠানে তিনি হস্তক্ষেপ শুরু করেন। দীর্ঘদিন নীরব থাকা কামরুন্নাহার শরীফ ছেলে তমাল ও ঈশ্বরদী উপজেলা চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মিন্টুকে দিয়ে এলাকায় আবার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা শুরু করেন।

কয়েকটি সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প চত্বরে কাজের কমিশনের জন্য চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল গুলি ও তাণ্ডব চালায় অস্ত্রধারীরা। এর নির্দেশদাতা ছিলেন তমাল। এ ছাড়া ঈশ্বরদীর বিভিন্ন স্পটে তার সহযোগীরা মাদক ব্যবসা শুরু করে। গত বছরের ১২ আগস্টের পর থেকে যুবলীগ কর্মী আরিফুল ইসলাম আলমসহ একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র্পের ব্যবহার করা হয়। গুলিবিদ্ধ হয় আরিফুল ইসলাম আলম নামের একজন। এ ছাড়া চলতি বছরের ১১ মার্চ ঈশ্বরদীর আমবাগানে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পিকনিক চলাকালে ছাত্রলীগ-যুবলীগের প্রকাশ্যে গুলিবিনিময়ে ৬ জন আহত হয়। ১ এপ্রিল দিনদুপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে এনজিও কর্মীর ৭৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এসব ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন মন্ত্রীপুত্র। তমাল চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পাকশী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম বিশ্বাসকে ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। এর আগে পিস্তল ও গুলিসহ যৌথ বাহিনীর হাতে আটক হন এনাম বিশ্বাস ও তার ছেলে রকি বিশ্বাস। ওই সময় ভূমিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর হস্তক্ষেপে এনামকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল যৌথবাহিনী।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি স্থানীয় বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টু ও রেজাউলের রেলওয়ে থেকে লিজ নেওয়া পাতিবিলের তিন কোনা পুকুরসহ মোট ৮টি পুকুর তমালের নেতৃত্বে দখল করা হয়। এ ছাড়া ঈশ্বরদী পৌরসভার কাজ পেতে ব্যর্থ হয়ে ২৬ মার্চ রাতে কায়েস এন্টারপ্রাইজে তমাল ও রাজীবের নেতৃত্বে ৫০-৬০টি মোটরসাইকেলে করে গিয়ে ভাংচুর ও গুলি চালানো হয়। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার আবারও মন্ত্রীপুত্রের নেতৃত্বে হামলা হয়।

দ্বন্দ্বের শুরু যেভাবে : পরিবারঘনিষ্ঠ ওই সূত্র আরও জানায়, গত বছরের ২৮ মে ইউপি নির্বাচনের সপ্তাহখানেক আগে জামাই-শ্বশুরের প্রথম দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর কারণ ছিল ঈশ্বরদী উপজেলা খাদ্যগুদামে গম সরবরাহ। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রী ও পৌর মেয়রের সমর্থকদের মধ্যে নানা কোন্দল প্রকাশ পেতে শুরু করে। এরপরই উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়। অনেককে গ্রেফতারও করা হয়। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের বর্ধিত সভায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুস সালাম খান ও ছাত্রলীগের সভাপতি যুবায়ের বিশ্বাসকে ভূমিমন্ত্রী বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। মিন্টুর ঘনিষ্ঠ দুই সহযোগীকে বহিষ্কারের ঘোষণা কোন্দল আরও বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে মিন্টু সমর্থক যুবলীগ কর্মী আলমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। কিছুদিন পর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি এমদাদুল হক রানার সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় উপজেলা ও পৌর যুবলীগের কমিটি ভেঙে দিলে জামাই-শ্বশুর দ্বন্দ্ব চূড়ান্ত পর্যায়ে পেঁৗছে। পরে যুবলীগের সম্মেলনে তমালকে সভাপতি ও রাজীবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। তবে দ্বন্দ্বের কারণে এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি।

আগামী নির্বাচনে পাবনা-৪ আসন থেকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়েই জামাই-শ্বশুরের দ্বন্দ্ব শুরু। মিন্টু চান শ্বশুরের জায়গায় স্থান পেতে; আবার ডিলুর মেয়েও নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার পক্ষে রয়েছেন স্ত্রী কামরুন্নাহার শরীফ, মেয়ে মেহজাবিন শিরিন পিয়া, ছেলে তমালসহ ঈশ্বরদী উপজেলা চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মন্ত্রীর এপিএস বশির আহমেদ বকুল ও রাজীব সরকার।

অন্যদিকে মিন্টুর পক্ষে রয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বিশ্বাস, শ্রমিক নেতা রশিদুল্লা, যুবায়ের বিশ্বাস, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সালাম খানসহ ঠিকাদারদের বড় একটি অংশ।

পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন দেওয়া হয় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল রহিম লালকে। এর বিপরীতে প্রার্থী হন মেহজাবিন শিরিন পিয়া। জেলা আওয়ামী লীগের একটি দল ঢাকায় মন্ত্রীর বাসায় দেখা করে তার মেয়েকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায়। তবে মন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। তিনি ওই সময় প্রতিনিধি দলকে বলেছিলেন, যেহেতু এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন, তাই যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন। আমি কাউকে নিষেধ করতে পারব না। নির্বাচনে মন্ত্রীর মেয়ের ভরাডুবি ঘটে। ডিলুর মেয়ে মেহজাবিন শিরিন পিয়া বলেন, আমরা চাইব আমার বাবা আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাক। বয়সের কারণে তিনি যদি মনোনয়ন না পান, তবে আমি মনোনয়ন চাইব।

এদিকে পৌর মেয়রের সমর্থকরা বলেন, মিন্টু দীর্ঘদিন তৃণমূলের রাজনীতি করছেন। তিনি মন্ত্রীর জামাই; তাই আগামীতে মন্ত্রীর উত্তরাধিকারী মিন্টুই।

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল বলেন, জেলার সভাপতি নিজের এলাকায় দলের স্বার্থ না দেখে নিজের পরিবারের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। কে নেতৃত্বে আসবে, পরিবারে নেতৃত্ব থাকবে কি-না তার সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনো রাজনৈতিক নেতার কাজ নয়।

সংশ্লিষ্টরা যা বললেন :আবুল কালাম আজাদ মিন্টু সমকালকে বলেন, বর্তমান সরকারের সময় অন্যায়কারীদের স্থান নেই। ঈশ্বরদীতে অন্যায়-অপকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। বৃহস্পতিবারের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত যুবায়ের বিশ্বাস বলেন, ঈশ্বরদীতে তমাল ও রাজীব সরকারের নেতৃত্বে নানা অপকর্ম হচ্ছে। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ কোনো কথা বলতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তিযোদ্ধা আজমল হক বিশ্বাস বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে মন্ত্রীর ছেলে ও তার দলবল এসে ভাংচুর করল, যা শুধু দুঃখজনকই নয়, সরকারের জন্য লজ্জারও বিষয়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি আবদুল হাই তালুকদার বলেন, মামলায় তমালকে প্রধান ও রাজীব সরকারকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। রাজীবের বাড়িতে অভিযান চালানো হলেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।

কথা বলতে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর মোবাইলে ফোন করা হয়। তবে ফোনটি রিসিভ করেন তার ছেলে তাকিবুর রহমান শরীফ। তিনি বলেন, বাবা অসুস্থ, বিশ্রামে আছেন। পরে কথা বলবেন। পরে একাধিকবার ফোন করেও মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।


মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved