শিরোনাম
 ঘূর্ণিঝড় 'মোরা': চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত  অস্ট্রিয়ার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ  দিনাজপুরে অটোরিকশার সাথে সংঘর্ষের পর বাস খাদে, নিহত ৩  নতুন ভ্যাট আইনে সংকট তৈরি হবে
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৯ মে ২০১৭, ০০:৩০:৩৯

মধ্যপন্থি-কট্টরপন্থি লড়াই ইরানে

সমকাল ডেস্ক
ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আজ। প্রেসিডেন্ট পদে চারজন প্রার্থী থাকলেও লড়াই হবে মধ্যপন্থি হাসান রুহানি ও কট্টরপন্থি ইব্রাহিম রইসির মধ্যে। এর মধ্যে ৬৮ বছরের রুহানি ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ থাকলেও সর্বশেষ জনমত জরিপে ৪২ শতাংশের সমর্থন পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রইসির রয়েছে ২৭ শতাংশ সমর্থন। তবে গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রার্থী শেষ মুহূর্তে রইসিকে সমর্থন দেওয়ায় ভোটের লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। এদিকে, ভোটে কোনোরকম কারচুপি কিংবা জালিয়াতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। খবর নিউইয়র্ক টাইমস ও এএফপির।

ইরানের বর্তমান আট কোটি জনগণের মধ্যে ভোটার পাঁচ কোটি ৬৪ লাখ। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেলরেজা রহমানি ফজলি আশা করছেন, আজ শুক্রবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের অন্তত ৭০ শতাংশ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ৬৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ভোটাররা।

অনেকেই মনে করছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে আবারও ক্ষমতায় আসবেন হাসান রুহানি। দেশটিতে ১৯৮১ সাল থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রার্থী হওয়া সবাই জিতেছেন। রুহানিও জিতবেন। তবে গতবার বিপুল ভোটে জিতলেও এবার ভোট কম পড়লে রুহানির বিপদ। কারণ, জিততে হলে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে। কোনো প্রার্থীই তা না পেলে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন যে দু'জন, তাদের নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ২৬ মে।

প্রথম দিকে তৃতীয় আরেকজনও ছিলেন এই নির্বাচনী দৌড়ে। তিনি তেহরানের মেয়র মোহাম্মদ বাগের গলিবাফ। গত সোমবার তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন রইসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই লড়াইয়ের শেষ লগ্নের এই সমর্থন রইসের জেতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে ইরানে মধ্যপন্থা ফের কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। যদিও দু'বছর আগে প্রেসিডেন্ট রুহানিই পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছেন; উঠে গেছে আন্তর্জাতিক অনেক নিষেধাজ্ঞা। তবে বিরোধীদের দাবি, ওই চুক্তিতে লাভের লাভ হয়নি কিছুই। ওবামার আমলে চুক্তি হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের হুমকি বন্ধ হয়নি। আসেনি বিনিয়োগ। ব্যবসাপাতি বা

কর্মসংস্থান কোনোটিই বাড়েনি, যা নিয়ে ভোটের মুখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে ইরানের নবীন প্রজন্ম। এদের বড় অংশের ঝোঁক রইসির দিকে। শুধু তা-ই নয়, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানে যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে রইসির।
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved