প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৭, ২২:৪২:২৬ | আপডেট : ১৭ মে ২০১৭, ০১:৪২:৩১

চবির ছয় শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

চবি প্রতিনিধি
চবির ছয় শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার
 
চবি প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সমকালকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী নিজ ক্ষমতাবলে তাদের বহিষ্কার করেন। এর মধ্যে ওয়ালিদুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওয়ালিদুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বহিষ্কৃত অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন_ ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের তাসনিম শিকদার, সংগীত বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরাজ চৌধুরী, দর্শন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ জিয়াউর হক মজুমদার। প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, 'উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে স্থায়ীভাবে ও বাকি পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।' বহিষ্কারের কারণ জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রক্টর অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ওই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন ও প্রতিরোধ সেল ঘটনার তদন্ত করে ওই চিকিৎসককে নির্দোষ দাবি করে প্রতিবেদন জমা দেয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ওয়ালিদুর রহমান অভিযোগ করেন, ওই দিন ওই চিকিৎসকের সঙ্গে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই উপস্থিত ছিলেন। আমার এক ছোট বোনকে যৌন নির্যাতনের জন্য ওই চিকিৎসক তো কোনো সাজাই পাননি। অথচ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার হতে হয়েছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। চবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, 'যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। ' ১৯ এপ্রিল চবি ছাত্রফ্রন্ট নেতা ফজলে রাব্বীকে মারধরের ঘটনায় তাসনিম সিকদারকে এবং একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শফিউল মিনহাজকে মারধরের ঘটনায় শাহরিয়ার চৌধুরী, শাহরাজ চৌধুরী, মাহমুদ হাসান ও জিয়াউর হক মজুমদারকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/05/17/293114#sthash.GUQp18ca.dpuf
চবির ছয় শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার
 
চবি প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সমকালকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী নিজ ক্ষমতাবলে তাদের বহিষ্কার করেন। এর মধ্যে ওয়ালিদুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওয়ালিদুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বহিষ্কৃত অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন_ ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের তাসনিম শিকদার, সংগীত বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরাজ চৌধুরী, দর্শন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ জিয়াউর হক মজুমদার। প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, 'উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে স্থায়ীভাবে ও বাকি পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।' বহিষ্কারের কারণ জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রক্টর অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ওই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন ও প্রতিরোধ সেল ঘটনার তদন্ত করে ওই চিকিৎসককে নির্দোষ দাবি করে প্রতিবেদন জমা দেয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ওয়ালিদুর রহমান অভিযোগ করেন, ওই দিন ওই চিকিৎসকের সঙ্গে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই উপস্থিত ছিলেন। আমার এক ছোট বোনকে যৌন নির্যাতনের জন্য ওই চিকিৎসক তো কোনো সাজাই পাননি। অথচ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার হতে হয়েছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। চবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, 'যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। ' ১৯ এপ্রিল চবি ছাত্রফ্রন্ট নেতা ফজলে রাব্বীকে মারধরের ঘটনায় তাসনিম সিকদারকে এবং একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শফিউল মিনহাজকে মারধরের ঘটনায় শাহরিয়ার চৌধুরী, শাহরাজ চৌধুরী, মাহমুদ হাসান ও জিয়াউর হক মজুমদারকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/05/17/293114#sthash.GUQp18ca.dpuf
চবির ছয় শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার
 
চবি প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সমকালকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী নিজ ক্ষমতাবলে তাদের বহিষ্কার করেন। এর মধ্যে ওয়ালিদুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওয়ালিদুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বহিষ্কৃত অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন_ ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের তাসনিম শিকদার, সংগীত বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরাজ চৌধুরী, দর্শন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ জিয়াউর হক মজুমদার। প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, 'উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে স্থায়ীভাবে ও বাকি পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।' বহিষ্কারের কারণ জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রক্টর অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ওই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন ও প্রতিরোধ সেল ঘটনার তদন্ত করে ওই চিকিৎসককে নির্দোষ দাবি করে প্রতিবেদন জমা দেয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ওয়ালিদুর রহমান অভিযোগ করেন, ওই দিন ওই চিকিৎসকের সঙ্গে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই উপস্থিত ছিলেন। আমার এক ছোট বোনকে যৌন নির্যাতনের জন্য ওই চিকিৎসক তো কোনো সাজাই পাননি। অথচ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার হতে হয়েছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। চবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, 'যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। ' ১৯ এপ্রিল চবি ছাত্রফ্রন্ট নেতা ফজলে রাব্বীকে মারধরের ঘটনায় তাসনিম সিকদারকে এবং একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শফিউল মিনহাজকে মারধরের ঘটনায় শাহরিয়ার চৌধুরী, শাহরাজ চৌধুরী, মাহমুদ হাসান ও জিয়াউর হক মজুমদারকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
- See more at: http://bangla.samakal.net/2017/05/17/293114#sthash.GUQp18ca.dpuf
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সমকালকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী নিজ ক্ষমতাবলে তাদের বহিষ্কার করেন।
 
এর মধ্যে ওয়ালিদুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওয়ালিদুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
 
বহিষ্কৃত অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন- ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের তাসনিম শিকদার, সংগীত বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শাহরাজ চৌধুরী, দর্শন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ জিয়াউর হক মজুমদার।
 
প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, 'উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে স্থায়ীভাবে ও বাকি পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।' বহিষ্কারের কারণ জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
 
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ১০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রক্টর অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ওই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন ও প্রতিরোধ সেল ঘটনার তদন্ত করে ওই চিকিৎসককে নির্দোষ দাবি করে প্রতিবেদন জমা দেয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর।
 
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ওয়ালিদুর রহমান অভিযোগ করেন, 'ওই দিন ওই চিকিৎসকের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই উপস্থিত ছিলেন। আমার এক ছোট বোনকে যৌন নির্যাতনের জন্য ওই চিকিৎসক তো কোনো সাজাই পাননি। অথচ অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার হতে হয়েছে।'
 
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। চবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, 'যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। '
১৯ এপ্রিল চবি ছাত্রফ্রন্ট নেতা ফজলে রাব্বীকে মারধরের ঘটনায় তাসনিম সিকদারকে এবং একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শফিউল মিনহাজকে মারধরের ঘটনায় শাহরিয়ার চৌধুরী, শাহরাজ চৌধুরী, মাহমুদ হাসান ও জিয়াউর হক মজুমদারকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved