শিরোনাম
 বিচারকদের চাকরি বিধিমালার খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে  বাড়ল স্বর্ণের দাম  মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের নাজেহাল করছে সরকার: ফখরুল  দোষারোপ করে জলাবদ্ধতার সমাধান হবে না: ওয়াসার এমডি
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০১৭, ১৯:২৩:৪৮

ছাত্রদল নেতা নুরুর মৃত্যুর ঘটনায় এসআইসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরু ‘হত্যার’ ঘটনায় আদালতে পুলিশের এসআইসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে নালিশি মামলা দায়ের করেছেন নুরুর স্ত্রী সুমি আক্তার।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম এসএম মাসুদ পারভেজ এর আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

আদালত শুনানি শেষে এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা প্রতিবেদন দিতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনটি তৈরিতে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের সহায়তা করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ২০ এপ্রিল পুলিশ প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে পূর্ণাঙ্গ শুনানির দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

আদালতে দায়ের করা নালিশি মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, রাউজান থানার নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শেখ মোহাম্মদ জাবেদ, রাউজানের বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান ভূপেষ বড়ুয়া, মো. বাবুল মেম্বার), আবদুল খালেক মেম্বার, জসিম উদ্দিন, সেকান্দর, নাসের প্রকাশ টাইগার নাসের,মো. এমরান, মো. হাসান, নুরুল ইসলাম, মো. লিটন, মো. মোরশেদ ও মো. রব্বান।

ছাত্রদল নেতা নুরুর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের ১৩ দিনের মাথায় এ পরিবারের পক্ষ থেকে এ মামলা দায়ে করা হলো। মামলার আরজিতে ১৩ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বাদী সুমি আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার বলেন, ‘ছাত্রদল নেতা নুরুকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তার স্ত্রী। আদালত মামলার শুনানি করে ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও এসপির কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করা হবে কিনা সে সর্ম্পকে শুনানি করবেন আদালত। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনে যে আদেশ দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।’

গত ৩০ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের খেলাঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে নুরুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নুরুর পরিবার ও বিএনপি-ছাত্রদলের দাবি, নুরুকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেছে পুলিশ। নুরুর বাড়ি রাউজান উপজেলার গুজরা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কমলার দীঘিরপাড় এলাকায়। নুরু উত্তর  জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের আগের দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নুরুকে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার।

নুরুর মরদেহ উদ্ধারের পর বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও রাউজানের সাবেক সাংসদ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী অভিযোগ করেছিলেন, জেলা পুলিশের একটা সশস্ত্র টিম বাসা থেকে নুরুকে তুলে নিয়ে যায়। টিমের কয়েকজন পুলিশের ইউনিফর্ম পরা ছিল। কয়েকজন ছিল সাদ পোশাকে। রাউজান থানার নোয়াপাড়া ফাঁড়ির এস আই জাবেদ টিমের নেতৃত্ব দেয়। তবে পুলিশের এসআই জাবেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved