শিরোনাম
 উত্তরে পানি কমছে, বাড়ছে মধ্যাঞ্চলে  রাষ্ট্রপতিকে জানানো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব: ওবায়দুল কাদের  নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারী খুঁজতে কমিশন গঠনের চিন্তা চলছে: আইনমন্ত্রী  রায় নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নজিরবিহীন: ফখরুল
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০১৭, ২২:১৭:৫১ | আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৭, ২২:৩৬:১৪

'মার্চে প্রতিদিন সড়কে ঝরেছে ১২ প্রাণ'

সমকাল প্রতিবেদক
সারাদেশে গত মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১২ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছেন। ওই সময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে দৈনিক গড়ে ১১টি।

সোমবার নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির নিয়মিত মাসিক পরিসংখ্যান এবং পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ২০টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র, আটটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চে সারাদেশে ৩৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪ শিশু, ৪৯ নারীসহ কমপক্ষে ৩৬২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন ৮৬৫ জন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ৩৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮ শিশু, ৫৬ নারীসহ মোট ৪২৭ জন নিহত ও এক হাজার ৯৪ জন আহত হয়েছিলেন। সে মাসে গড়ে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৩টি, যেখানে নিহত ও আহতের দৈনিক গড় সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫ ও ৪৬।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে সড়ক দুর্ঘটনার হার ১১ দশমিক ৩০ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে নিহত ও আহতের হার কমেছে যথাক্রমে ১৫ দশমিক ২৩ ও ২০ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

পর্যবেক্ষণে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে প্রথম দফায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় টানা তিন দিন ও দ্বিতীয় দফায় খুলনা বিভাগসহ সারাদেশে আরও তিন দিন সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা আগের মাসের চেয়ে কমেছে। তা সত্ত্বেও মার্চে একাধিক বড় দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ও ময়মনসিংহের দুটি দুর্ঘটনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনটি পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনার মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে নেমে না আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারণ তুলে ধরা হয়। সেগুলো হচ্ছে- ট্রাফিক আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করে চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, ভুয়া লাইসেন্সধারী অদক্ষ চালক নিয়োগ, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্সবিহীন কিংবা জাল লাইসেন্সধারী চালকদের আটকের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব, একটানা দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানো, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোনে চালকদের কথা বলা, আইন অমান্য করে অতিরিক্ত যাত্রী/পণ্যবোঝাই, ওভারটেকিং করা, মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে তিন চাকাবিশিষ্ট স্থানীয়ভাবে তৈরি যন্ত্রচালিত ক্ষুদ্র যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সড়কে অদক্ষ চালকদের মোটরসাইকেলে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহনের প্রবণতা বৃদ্ধি, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চালকদের সচেতনতার অভাব এবং দূরপাল্লার সড়কগুলোয় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও অনেক স্থানে সড়কের বেহাল অবস্থা।

জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, গত দুই মাসে সংঘটিত অধিকাংশ প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার জন্য চালকদের খামখেয়ালিপনাই দায়ী। আইন ভঙ্গ করে পণ্যবাহী ট্রাকে ও বাসের ছাদে যাত্রী বহনসহ তাদের অসতর্কতার কারণে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved