শিরোনাম
 আতিয়া মহলে দুই জঙ্গি নিহত, ভেতরে আরও আছে: ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনী  আতিয়া মহলে অভিযান চলছে, গুলি-বিস্ফোরণের শব্দ  জঙ্গিবাদ ছেড়ে সুপথে ফিরলে পুনর্বাসন: প্রধানমন্ত্রী  চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক-ভটভটির সংঘর্ষে নিহত ১৩
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০১৭, ০২:২২:২২ | আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৭, ০২:২৪:৪৭

চট্টগ্রামে লাপাত্তা ২৬৩ যুবককে নিয়ে উদ্বেগ

জঙ্গিবাদে জড়িত কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে
সারোয়ার সুমন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম জেলায় নিখোঁজ হয়েছে ২৬৩ যুবক। তাদের মধ্যে কেউ এক বছর ধরে, কেউ তিন বছর ধরে নিখোঁজ। এই যুবকদের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। তাদের ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও পর্যাপ্ত তথ্য নেই। নিখোঁজ হওয়ার পর কারও কারও পরিবার থানায় যোগাযোগ করে জিডি করেছে। চট্টগ্রামে এত যুবক লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে গোয়েন্দাদেরও। চট্টগ্রামে জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় ফের নিখোঁজদের ব্যাপারে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কতদিন ধরে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, তা আবার হালনাগাদ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে নগর পুলিশের বিশেষ শাখাকে। তবে এবার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের ব্যাপারেও তথ্য নিতে বলা হয়েছে। হঠাৎ বেড়ে যাওয়া জঙ্গি তৎপরতায় নিখোঁজদের সম্পৃৃক্ততা রয়েছে কি-না, তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।



এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বলেন, 'চট্টগ্রাম নগরসহ জেলার বেশ কিছু তরুণ নিখোঁজ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধরে আমরা কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। এগুলো আবার হালনাগাদ করা হবে। কোন জেলায় কত মানুষ নিখোঁজ তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পুলিশ সুপারদেরও। হঠাৎ চট্টগ্রামে বেড়ে যাওয়া জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।'



নগর ও জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের তালিকা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরে নিখোঁজ ছিল ১১৪ জন। এর মধ্যে নগরের ১৬ থানায় ২০১৩ সালে ২৩ জন, ২০১৪ সালে ২৯ জন, ২০১৫ সালে ৪৬ জন এবং ২০১৬ সালে ১৬ জন ছিল। এদের মধ্যে ছয়জন ফিরে এলেও বাকি ১০৮ জনের হদিস মেলেনি। নগরের বাইরে চট্টগ্রাম জেলার অন্য থানাগুলোতে নিখোঁজ ছিল ২০৮ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৩ ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ জন শিক্ষার্থী ছিল। তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩ জনের খোঁজ মিললেও বাকিদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বা পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই।



চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর সমকালকে বলেন, 'নিখোঁজদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে আর কেউ নিখোঁজ হয়েছে কি-না তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যারা নিখোঁজ আছে তাদের অবস্থান শনাক্ত করার কাজ চলছে।' চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (বিশেষ শাখা) মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবনের মাঝপথে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছে। এদের মধ্যে কারও জঙ্গি সম্পৃৃক্ততা রয়েছে কি-না তা যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেউ নিখোঁজ আছে কি-না, সে ব্যাপারে হালনাগাদ তথ্য জানাতে নতুন করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'



এখনও যারা নিখোঁজ: চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল সাবি্বরুল হক চৌধুরী। তারা বাবা আজিজুল হক চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কর আদায়কারী। পরিবার নিয়ে থাকতেন নগরের বাকলিয়া থানার মিয়াখাননগর ইসহাকের পুল এলাকায়। বিয়েতে যাওয়ার কথা বলে গত বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে বের হয় সাবি্বরুল। আর ফেরেননি। গত ২৬ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত হয় ৯ জন। এর মধ্যে সাবি্বরুল ছিল বলে ধারণা করেছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তার বাবা আজিজুল হককে নিয়ে যাওয়া হলে ৯ জনের মধ্যে তার ছেলেকে খুঁজে পাননি। গত রোববার আজিজুল হক সমকালকে বলেন, 'এক বছর পার হলেও ছেলের কোনো খোঁজ মেলেনি। ছেলেকে খুঁজে পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। তারাও কোনো সন্ধান দিতে পারেনি।'



গত বছরের ৭ মে ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহমদের বাড়ির মৃত সিরাজুল হকের ছেলে শাহজাহান বাড়ি ছাড়েন। তিনি নগরের বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার ছাত্রাবাসের হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন। র‌্যাবের ৬৮ জনের নিখোঁজ তালিকায়ও তার নাম রয়েছে। শাহজাহানের ভাই মুহাম্মদ আলী জানান, 'নিখোঁজের পর থেকে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। কোথায় আছে জানা নেই।' গত বছর ৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার ওয়ালিউল্লাহ আবাসিক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি আলাউদ্দিন হোসেন। তার বাবা ফোরকান উদ্দিন পিডিবির ঠিকাদার। ফোরকান বলেন, 'চুয়েট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর সে পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। নিয়মিত নামাজ পড়ত। কারও সঙ্গে তার কোনো ঝামেলাও ছিল না। অর্থেরও কোনো অভাব ছিল না। ছেলে যে কোথায় গেল বুঝতে পারছি না!'



নিখোঁজদের মধ্যে আছেন নৌ-প্রকৌশলী নজিবুল্লাহ আনসারীও। প্রায় দেড় বছর আগে নৌবাহিনীর চাকরি ছেড়ে নিখোঁজ হয়েছেন। পরে ফেসবুকে তার ভাইকে জানিয়েছেন, 'আইএস-এ যোগ দিতে ইরাকে গেলাম।' গত ১০ জুলাই ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা রফিকুল্লাহ আনসারী। তিনিও নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে নজিবুল্লাহ আনসারী নিখোঁজ হন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তার বাবা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা রফিকুল্লাহ আনসারী সপরিবারে নগরীর নাবিক কলোনিতে বসবাস করেন।



কোন থানায় কারা নিখোঁজ: নগর পুলিশের তালিকায় কর্ণফুলী থানায় ২০১৩ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ৯ জনের নিখোঁজ হওয়া বিষয়ে ডায়েরি রয়েছে। তারা হলেন- কর্ণফুলীর উত্তর বন্দর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে তাজউদ্দিন, চন্দনাইশের জাফরাবাদের আবদুল খালেকের ছেলে রাসেল ওরফে সোহাগ, শিকলবাহার সামশুল আলমের ছেলে আবদুল কাদের, জুলধার আবদুল হাকিমের ছেলে আবু তাহের, মহালখান বাজারের ইউনুছের ছেলে সাজু, চরলক্ষ্যার আলমগীরের ছেলে দিদারুল আলম, ইছানগরের খলিলুর রহমানের ছেলে ওমর ফারুক, উত্তর চরলক্ষ্যার মৃত সুলতান আহমদের ছেলে মোজাম্মেল ইসলাম ও মইজ্যারটেকের আবদুল মান্নানের ছেলে মহিউদ্দিন। পতেঙ্গা থানায় 'নিখোঁজ' চারজন হলেন- পূর্ব কাঠঘরের সোহেল রানা, লালাদিয়ার হাসনাইন, তারিকুল ইসলাম হৃদয় ও বিজয়নগরের ওমর ফারুকের ছেলে জহিরুল ইসলাম। বন্দর থানায় নিখোঁজ রয়েছেন কলসি দীঘির পাড়ের রুস্তম আলীর ছেলে আলী আমিন শেখ। ইপিজেড থানায় নিখোঁজ পাঁচজন হলেন- নিউমুরিংয়ের আবুল হোসেনের ছেলে পারভেজ মাহমুদ, নাবিক কলোনির রফিকুল্লার ছেলে নজিবুল্লাহ আনসারী, বন্দরটিলার পান্না হাওলাদারের ছেলে সবুজ হাওলাদার, খুলশীর জি-ফোর সিকিউরিটির গার্ড দুলাল মিয়া ও আড়পাড়ার সহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম।



আকবরশাহ থানার দু'জন নিখোঁজ হলেন- ফিরোজশাহ হাউজিংয়ের আবুল বশরের ছেলে রফিকুল ইসলাম ও কালিরহাটের নজির আহমদের ছেলে জহির আহমদ। পাহাড়তলী থানায় নিখোঁজ ডায়েরির ১৯ জন হলেন- সরাইপাড়ার আবু তাহেরের ছেলে আতিক শাহরিয়ার, ফইল্ল্যাতলির নুর উদ্দিনের ছেলে আল আমিন, গ্রীনভিউর আবদুল মজিদের ছেলে রেজাউল করিম ওরফে শিলু, সাগরিকার ইসমাইলের ছেলে ইকবাল হোসেন ইমন, পাহাড়তলী বাইন্ন্যাপাড়ার ফুল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন, মধ্যম হালিশহরের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে আনিসুজ্জামান, কর্নেলহাটের মৃত আফছার উদ্দিনের ছেলে তানভীর উদ্দিন চৌধুরী, সরাইপাড়ার আবদুল্লাহ আল হাসানের ছেলে জাহিদ হাসান শুভ, সাগরিকার শাহ আলমের ছেলে শাহীন আলম, সরাইপাড়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহমান, বিপিসির নূর সাফা ভূঁইয়ার ছেলে তাউছির আহম্মেদ ভূঁইয়া, পানির কলের মৃত ইদ্রিসের ছেলে মিনহাজুল আবেদিন, পাহাড়তলীর তৈয়ব চৌধুরীর ছেলে নাহিদ চৌধুরী রিপন, মৃত শমসের ফকিরের ছেলে খলিল, হালিশহর আই ব্লকের জহিরুল হকের ছেলে এনামুল হক, দক্ষিণ কাট্টলীর জিল্লু মিয়ার ছেলে নাজমুল মিয়া, এমএ ছালামের ছেলে আবু ছালেহ রুবেল, মাসুমের কলোনির মিজানুর রহমানের ছেলে রিয়াজ, দক্ষিণ কাট্টলীর খগেন্দ্রনাথের ছেলে ইব্রাহিম ওরফে ঝুলন দেবনাথ।



হালিশহরে 'নিখোঁজ' ১৭ জন হলেন- গ্রিনভিউর আবুল কাশেমের ছেলে ইলিয়াস, মইন্যাপাড়ার জাফর হোসেনের ছেলে আজাদ, রঙ্গীপাড়ার তারেক মো. ইকবালের ছেলে শহীদ হোসেন সিফাত, পাহাড়তলীর আবদুল হকের ছেলে আবদুর রব, চেরাগ আলীর ছেলে শাহিন মজুমদার, হালিশহর বি ব্লকের মেহরাজ ইসলাম, খেজুরতলার আবুল হাশেম বেপারীর ছেলে আবু সালাম, ছোটপুলের বেলায়েত হোসেনের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন, কে ব্লকের মোস্তফা আনোয়ারের ছেলে রেজাউল করিম, বি ব্লকের আহমদ নবীর ছেলে আসিফ আহমেদ ফারুক, ছোটপুলের মৃত জালালের ছেলে সাইফুল, মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে মনির হোসেন, বন্দরটিলার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ইলিয়াস, এ ব্লকের মৃত চুন্নুু মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম, মইন্যাপাড়ার নুরুল হকের ছেলে নুরুল ইসলাম, রমনা আবাসিক এলাকার ফখরুজ্জামানের ছেলে আসাদুজ্জামান শাকিল ও মধ্যম রামপুরের ইউসুফের ছেলে আরমানুল হক রাজু।



ডবলমুরিং থানায় 'নিখোঁজ' সাতজন হলেন- উত্তর আগ্রাবাদ পানওয়ালাপাড়ার তৌফিক উদ্দিন সুমনের ছেলে এবিএম ইউসুফ ওরফে তুষার, মৃত মোহাম্মদ আলির ছেলে বিপ্লব, পাঠানটুলির শওকত আলীর ছেলে মোস্তফা আলী, গোলবাঘ আবাসিক এলাকার মৃত মুন্সি মিয়ার ছেলে নাজিম উদ্দিন, ধনিয়ালাপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহজাহান, বেপারীপাড়ার সোহরাবের ছেলে সাগর হোসেন ও মগপুকুরপাড়ের মৃত আবদুল বাতেনের ছেলে এমএম মোস্তফা জামান।

খুলশী থানায় 'নিখোঁজ' পাঁচজন হলেন- এসএম আজিজের ছেলে শাইয়ান আজিজ, দক্ষিণ খুলশীর মকবুল হোসেনের ছেলে রাজীব সিকদার, লালখান বাজারের আবুল কাশেমের ছেলে কাউছার আহমদ, ওয়্যালেসের শরীফের ছেলে পারভেজ ও টাইগারপাসের মৃত খায়রুল ইসলামের ছেলে শাকিল। পাঁচলাইশের 'নিখোঁজ' ছয়জন- খতিবেরহাটের ফরিদের ছেলে সুমন, মুন্সিপুকুরপাড়ের নুর মোহাম্মদের ছেলে ইমরান উদ্দিন আকাশ, খতিবেরহাটের হাবিবুর রহমানের ছেলে হাছান মুরাদ, আরকান হাউজিং সোসাইটির আবদুস ছাত্তারের ছেলে মাহমুদ আল ফয়সাল, কসমোপলিটনের আবদুর রহমানের ছেলে আবদুল মাবুদ ও সানমার পার্সেল গ্রুপের ইব্রাহিমের ছেলে মাহমুদুল হাছান রনি। চান্দগাঁও থানায় 'নিখোঁজ' ২২ জন- জামাল উদ্দিনের ছেলে সাহেদুল ইসলাম, সৈয়দ আবু জাহেদ হাসান ওরফে রেফাই, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার মান্নানের ছেলে ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলামের ছেলে আশিকুল ইসলাম, বিল্লাপাড়ার মো. অলির ছেলে ওয়াসিম মিয়া, মৌলভী পুকুরপাড়ের রফিকের ছেলে আব্বাস, পাঠানিয়া গোদার নুরুল ইসলামের ছেলে আবদুল বাসেত, খরমপাড়ার আবদুল করিমের ছেলে আবদুর রহিম আক্কাস, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার আকতারুজ্জামানের ছেলে আবদুল আল মাহিম, চৌধুরীপাড়ার হারুনুর রশিদের ছেলে মামুনুর রশিদ, পশ্চিম মোহরার বজলুর ছেলে ফয়সাল, সিঅ্যান্ডবির বশিরের ছেলে রুবেল, উত্তর মোহরার ইউনুছের ছেলে ইমতিয়াজ মাহমুদ, আবদুল কাদেরের ছেলে মোবারক হোসেন, সানোয়ারা আবাসিক এলাকার মৃত রফিক আহমদের ছেলে রাশেদুল আলম, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার মৃত নুর আহম্মদের ছেলে আবদুল গফুর, লোহাগাড়ার মৃত আবদুস ছালামের ছেলে মাঈন উদ্দিন হাসান, হামজারবাগের আজিজুল ইসলাম ভুঁঁইয়ার ছেলে আশিকুল ইসলাম, খাজা রোডের আমির হোসেনের ছেলে ইলিয়াছ, সিঅ্যান্ডবির হেকমত আলী শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও এক কিলোমিটার এলাকার ফোরকান উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন হোসেন।



চকবাজার থানায় নিখোঁজ হামজারবাগের মাওলানা জাফর আহমদের ছেলে ইমরান। কোতোয়ালি থানায় নিখোঁজ ১৬ জন- আজিজ কলোনির মোতালেবের ছেলে মানিক, ফিরিঙ্গিবাজারের সুকুমার চৌধুরীর ছেলে রাসেল চৌধুরী, মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম, আবদুুল বাকেরের ছেলে সুমন, এমএম আলি রোডের আরশাদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে মারুফ হাসান, আনোয়ারার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে আবছার উদ্দিন, চৈতন্যগলির ছৈয়দুল আলমের ছেলে জোনাইদুল ইসলাম, বলুয়ারদীঘির স্বপন কুমারের ছেলে শান্ত বণিক ও চট্টেশ্বরীর অশোক কুমার বণিকের ছেলে শংকর বণিক। বাকলিয়া থানার 'নিখোঁজ' সাতজন- কালামিয়া বাজারের নুরুল হকের ছেলে রাশেদুল আলম, তুলাতলির সুলতান আহমদের ছেলে এমএ জামান, ডিসি রোডের আবুল বশরের ছেলে জুনাইদ, দেওয়ান বাজারের মৃত সোলাইমান সরকারের ছেলে রফিকুল ইসলামন মনা, মিয়াখাননগরের মৃত আবুল বশরের ছেলে আবদুল মান্নান, বাকলিয়ার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে সায়েম ও হাটখোলার আবদুল কাদেরের ছেলে একেএম মহিউদ্দিন বাবু।


মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved