শিরোনাম
 নওগাঁয় বাঁশবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৬  এবার 'চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট'কে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প  ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০১৬

ভূবন ভ্রমিয়া

গ্রন্থনা : মানিক রায়
আইসক্রিম পাত্র দিয়ে গ্রন্থাগার

গ্রন্থাগার এমন একটি স্থান, যেখানে নীরব পরিবেশ খুব প্রয়োজন, যাতে আপনি আপনার কাজে সম্পূর্ণভাবে মনোনিবেশ করতে পারেন। গ্রন্থাগার অনায়াসেই একটা শান্তির স্থান। তবে ইন্দোনেশিয়ার বানদুং গ্রামে এমন এক অভিনব গ্রন্থাগারের খোঁজ পাওয়া গেছে, যা সত্যিই অনন্য। ডাচ স্থপতি ফ্লোরিয়ান হেইনজেলমান এবং তার নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ডিজাইনার ফার্ম 'শাউ' গ্রামটিকে এক অভিনব গ্রন্থাগার উপহার দেবেন বলে স্থির করেন। গ্রন্থাগারটি ২০০০ আইসক্রিমের পাত্র দিয়ে তৈরি।

অস্ট্রেলিয়ান নিউজ টুডের এক সংবাদ থেকে আরও জানা যায়, এই আইসক্রিম পাত্রগুলো কিন্তু শুধুই পর পর সাজিয়ে গ্রন্থাগারটি তৈরি করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, 'বুকস আর দ্য উইন্ডো অব দ্য ওয়ার্ল্ড'। ইন্দোনেশিয়ার ভাষায়, 'বুকু আডালা জেন্দেলা দুনিয়া'। এই বাক্যটিকে বাইনারি ল্যাঙ্গুয়েজে (০ ও ১) রূপান্তরিত করে সেই অনুসারে আইসক্রিম পাত্রগুলোকে সাজানো হয়েছে। হেইনজেলমান জানিয়েছেন, তারা এক অনলাইন বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০০ ব্যবহৃত আইসক্রিম পাত্র আনিয়েছেন গ্রন্থাগারের দেয়াল তৈরি করার জন্য। এ ছাড়াও নষ্ট এবং রিসাইকেল আইসক্রিম পাত্রও ব্যবহার করা হয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে জমা জলের হাত থেকে ইন্দোনেশিয়াকে বাঁচাতেই এই অভিনব ভাবনা এসেছে।

বিমানে হোস্টেল

আধুনিক যুগে কত বিচিত্র ঘর এবং রিসোর্ট হচ্ছে তা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। আমরা আজ আপনাদের জন্য এমন এক হোস্টেলের বিস্তারিত তুলে এনেছি যা দেখলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না।

জাম্বো হোস্টেল নামে এই হোস্টেল মূলত Arlanda Airport-এর এক পাশে অবস্থিত। এখানে একটি জাম্বো জেট দিয়েই এই হোস্টেল তৈরি করা হয়েছে। এখানে অতিথি হিসেবে তারাই ওঠেন, যাদের অনেক সময় ফ্লাইট দেরি হয় কিংবা বিভিন্ন কাজে বিমানবন্দরেই অবস্থান করতে হয়।

ডেইলি মেইলের এক সংবাদ থেকে আরও জানা যায়, এই হোস্টেলে রয়েছে ২৭টি আধুনিক সুবিধাযুক্ত কক্ষ এবং এখানে একটি হোটেলের সব সুবিধা পান একজন অতিথি। এই বিমান হোটেল ২০০৮ সাল থেকে চালু আছে এবং এখানে অতিথিরও অভাব নেই। এর পাখার ওপরে করা হয়েছে অসাধারণ এক বারান্দা, যেখানে অতিথিরা বসেন এবং বিমানবন্দরের খোলা রানওয়ে থেকে আসা বাতাস উপভোগ করে থাকেন।

১০০ বছর ধরে জ্বলছে একটি বাল্ব

একটি বাল্ব ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্বলছে! এমন ঘটনা শুনে বিস্মিত হচ্ছেন! বিস্মিত হলেও ঘটনা সত্য। সেই ১৯০১ সালের ঘটনা। ক্যালিফোর্নিয়ার লিভারমোরে ফায়ার হাউসে এই বাল্বটি লাগানো হয়। ২০১৬ সালে এখনও এই বাল্বটি বহাল তবিয়তে জ্বলছে!

এ ধরনের কার্বন ফিলামেন্টের বাল্বের আয়ু সাধারণত ১ হাজার থেকে ২ হাজার ঘণ্টার হয়ে থাকে। এই সময়ে যে ফ্লুরোসেন্ট বাল্ব কিংবা এলইডি লাইটের চল হয়েছে তাদেরও আয়ু ২৫ থেকে ৫০ হাজার ঘণ্টার মতো। সেখানে পুরনো আমলের ফিলামেন্ট লাগানো বাল্ব এত বছর ধরে জ্বলছে কীভাবে তা জেনে বিস্মিত সবাই। বিজ্ঞানীরাও এ ঘটনার কোনো কূলকিনারা করতে পারছেন না। একেকজন একেক রকমের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।

মাস্টারমাইন্ড ইলেকট্রিশিয়ান অ্যাডলফে এ চেইলটের করা নকশায় এই বাল্বটি তৈরি করেছিল শেলবি ইলেকট্রিক নামে একটি কোম্পানি। বাল্বের ফিলামেন্টে তখন ব্যবহার করা হয়েছিল কার্বন। তবে এ ধরনের বাল্বের আয়ু কোনোভাবেই এক বছরের বেশি হয় না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। মাঝে এই বাল্বটি নিভেছিল এলাকায় লোডশেডিং হওয়ার কারণে। এ ছাড়া বাল্বটি কখনও নেভানোই হয়নি। নিউজটি প্রকাশিত হয়েছে ডেইলি মেইলে।
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved