শিরোনাম
 সুজানগরে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা  ফের গণমাধ্যমের ওপর চড়াও ট্রাম্প  এসপানিওলকে হারিয়ে শীর্ষে বার্সা
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০১৬

১০ মিনিটের স্কুল

সর্বোচ্চ সমন্বিত শিক্ষা সবার জন্য সুনিশ্চিত করার বিপ্লব শুরু হয়েছে। কুসংস্কার ও কুশিক্ষা দূরীকরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক পটভূমি বদলে দেওয়া এবং দেশের সর্বত্র সমন্বিত শিক্ষার স্বপ্নের বীজ বুননে শুরু হয়েছিল টেন মিনিট স্কুলের পথচলা। বর্তমানে এটি সর্ববৃহৎ অনলাইন স্কুল। অনলাইনভিত্তিক ব্যতিক্রমী এ স্কুলের আদ্যোপান্ত নিয়ে প্রচ্ছদ লিখেছেন সজীব রায়
পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে চিন্তিত? মাত্র ১০ মিনিটেই যাচাই করে নেওয়া সম্ভব প্রস্তুতির গভীরতা। পাঠ্যবইয়ের কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হচ্ছে? ১০ মিনিটেই টিউটোরিয়ালের সাহায্যে খুব সহজে শেখা হয়ে যাবে বিষয়টি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই সম্পন্ন হবে অন্তর্জালে, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ যে কোনো মুহূর্তে এ সেবা গ্রহণ করতে পারেন সম্পূর্ণ বিনা খরচে। আপাত অসম্ভব এই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছে টেন মিনিট স্কুল www.10minuteschool.com, যার স্লোগান হচ্ছে- 'শেখো, অনুশীলন করো এবং উন্নত হও।' সবার কাছে বিনা মূল্যে শিক্ষা পেঁৗছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) গ্র্যাজুয়েট আয়মান সাদিক কয়েক বছর আগে যাত্রা শুরু করেন টেন মিনিট স্কুলের, সময়ের পরিক্রমায় যেটি আজ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম।

নামে 'স্কুল' হলেও টেন মিনিট স্কুল শুধু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, বরং সম্পূর্ণ বিনা খরচে ব্যবহারযোগ্য এ সাইটটির কনটেন্টগুলো জেএসসি, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিসিএস পরীক্ষার্থীদের কাছেও সমানভাবে সমাদৃত। এই বিপুল জনপ্রিয়তার পেছনে অবদান রেখে চলেছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীর নিরলস শ্রম ও প্রচেষ্টা। স্বপ্নকে ছড়িয়ে দিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন প্ল্যাটফর্মটির উন্নয়নে এবং সমৃদ্ধকরণে। শিক্ষা উপকরণগুলোর মান, সৃজনশীলতা, তথ্যের নির্ভুলতা ও সর্বোপরি গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই টেন মিনিট স্কুলকে করে তুলেছে ছেলে-বুড়ো সবার কাছে নির্ভরযোগ্যতার পরম নাম।

টেন মিনিট স্কুলের আইডিয়াটা মাথায় এলো কীভাবে? জানতে চাইলে আয়মান সাদিক বলেন, 'আমি আসলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে জানতাম না যে আমি পড়াতে পছন্দ করি। এটাও জানতাম না যে, আমি গণিত কিংবা ইংরেজি ভালোবাসি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে পড়ার সময় আমি বিভিন্ন কোচিংয়ে ক্লাস নিতে শুরু করি। আস্তে আস্তে ক্লাস নিতে বেশ ভালো লাগে। স্টুডেন্টদের সঙ্গে বন্ধুত্ব, গল্প, পড়ানো বিষয়গুলো আমি উপভোগ করতাম খুব। একটা সময় মনে হলো আমি আসলে পড়াতে ভালোবাসি এবং এটাই করে যেতে চাই- পড়ানোর শুরু সেখানেই। একটা সময় এসে দেখলাম, ঢাকার বাইরে থেকে প্রচুর ছেলেমেয়ে এখানে কোচিং করতে আসে।

ফার্মগেট বা বিভিন্ন জায়গায় মেস/ হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতে হিমশিম খায়। এমনকি তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির তথ্যগুলো ঠিকঠাক জানে না। অনেকে আবার আর্থিক সমস্যার কারণে কোচিং বা প্রাইভেট পড়তে পারে না। আমাদের দেশে যেহেতু সব কিছু ঢাকাকেন্দ্রিক, তাই ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে থাকে সব ক্ষেত্রেই। তখনই আসলে চিন্তাটা মাথায় আসে- যদি একটা ওয়েবসাইট করা যায়, যেখান থেকে সব ধরনের ইনফরমেশন বা প্রপার টিচিংটা পেতে পারে। সেখান থেকেই মূলত শুরু। ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে এসে একটা ড্রাফট তৈরি করি এবং রাইদ নামের পরিচিত ভাইয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করি। পরে অনেক বাধাবিপত্তির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে এসে পুরোপুরিভাবে 10 Minute School চালু হয়।'

বর্তমানে সাইটটিতে রয়েছে সহস্রাধিক কনটেন্ট যা জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসির শিক্ষার্থী ছাড়াও আইবিএ, মেডিকেল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের সমন্বিত শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে। এ ছাড়া যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো প্রকার তথ্য, কত পয়েন্ট থাকলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে কিংবা কোন বিভাগের আসন সংখ্যা কত- এসব ইনফোগ্রাফিক আকারে সাইটটিতে দেওয়া আছে।

শিক্ষাকে আনন্দময় ও চিত্তাকর্ষক করে তুলতে সাইটটিতে রয়েছে নানা উপকরণ। কুইজ, ভিডিও, টিউটোরিয়াল, মডেলটেস্ট, ইনফোগ্রাফিকস, ব্লগের সমন্বয়ে অভিনব প্রাঞ্জল এক অভিজ্ঞতা উপহার দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের। জেএসসি, এসএসসি এবং এইচ এসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ঝালাই করে নেওয়ার জন্য রয়েছে প্রত্যেকটি সাবজেক্টের ওপর সহস্রাধিক মডেল টেস্ট। মজাদার সৃজনশীল উপায়ে তৈরি নির্দিষ্ট সময়সীমার মডেল টেস্টগুলো নির্ধারিত সংখ্যক নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে সাজানো, যাতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা যাচাই করে নিতে পারে ফলাফল এবং দেখে নিতে পারে সঠিক উত্তর। এ ছাড়া প্রতিটি টেস্টে অংশগ্রহণকারীদের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় Ranking, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী যাচাই করে নিতে পারে টেস্টে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নিজের অবস্থান। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে প্রশ্ন ব্যাংক, মডেলটেস্ট প্রভৃতি। এ ছাড়াও IELTS, SAT, GRE, GMAT পরীক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য রয়েছে অনুরূপ নানা আয়োজন। ২৮,৬৭৬টি কুইজ, ১,১২১টি ভিডিও, অর্ধ শতাধিক দক্ষ কর্মীর সমন্বয়ে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য অনলাইন এডুকেশন প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে টেন মিনিট স্কুল। যে কোনো শিক্ষামূলক বিষয়ের ওপর সহজ ও মজার সব টিউটোরিয়াল টেন মিনিট স্কুলের জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমানে ১,১২১টিরও বেশি ভিডিও পাওয়া যাবে সাইটটিতে এবং এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

পাঠ্যসূচির বিভিন্ন বিষয়ের ওপর জ্ঞান ঝালাই করে নেওয়ার পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ের বাইরে ও জীবনের নানা ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে টেনমিনিট স্কুলের অনন্য সংযোজন হিসেবে রয়েছে লাইফ হ্যাকস, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রভৃতি।

এ তো গেল প্রস্তুতি যাচাইয়ের পালা, প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ও টেনমিনিট স্কুলের রয়েছে বিভিন্ন আঙ্গিকের আয়োজন। টেন মিনিট স্কুলের ইউটিউব পেইজে www.youtube.com/10minuteschool রয়েছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থ, রসায়ন প্রভৃতি বিষয়সহ বিসিএস, 'ও' লেভেল ইত্যাদির ওপর হাজারখানেক ভিডিও। পেইজটির প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের জ্ঞানের খোরাক জোগাতে নিত্যনতুন টিউটোরিয়াল যোগ হচ্ছে প্রতিদিন।

টেন মিনিট স্কুলের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংযোজন লাইভ এডমিশন কোচিং। বিপুল জনপ্রিয় এ ফিচারটির গ্রাহক বর্তমানে ৫৩,৪৫০। দেশের সর্বত্র শিক্ষার্থীদের কাছে মান সম্পন্ন শিক্ষা পেঁৗছে দেওয়ার লক্ষ্যে ফেস বুকের (www.facebook.com/ 10minuteschool) লাইভ ফিচার ব্যবহার করে ২০১৬ সালের জুন থেকে লাইভ ক্লাসের আয়োজন করে আসছে টেনমিনিট স্কুল। সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের সামনে নির্ধারিত টপিকের ওপর আলোচনা নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন দক্ষ ইন্সট্রাকটররা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটি, বিইউপি, ব্র্যাকসহ বেশকিছু স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ইনস্ট্রাক্টর টিমের সদস্যরা প্রতিটি বিষয়ের ওপর অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সহজবোধ্য উপায়ে ক্লাস নেন। গড়ে প্রতিটি ক্লাসে অংশ নেয় হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী, প্রতিটি ক্লাসের পর বিষয়টি সম্পর্কে তাদের ধারণা আরও স্পষ্ট করার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় হাজারখানেক প্রশ্ন আসে। কঠিন বিষয়গুলো হৃদয়গ্রাহী করে উপস্থাপন এবং ছাত্রদের খুঁটিনাটি সমস্যা সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে সমাধান লাইভ ক্লাসের জনপ্রিয়তাকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে। এখন পর্যন্ত দেশব্যাপী অর্ধলাখেরও বেশি শিক্ষার্থী লাইভ এডমিশন কোচিং সেবার দ্বারা উপকৃত হয়েছে।

একটি মানুষের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা সাইটটির সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১,৭৬,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। ভর্তি সদস্য সংখ্যা২১,৩৯৬। টেন মিনিট স্কুলের প্রসার ও সংবর্ধনে সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। রবির করপোরেট দায়বদ্ধতা (সিআর) কার্যক্রমের আওতায় 'টেনমিনিটস্কুল' প্লাটফর্মটিকে সমাজে একটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্লাটফর্মটি সম্পর্কে ধারণা পেঁৗছে দেওয়ার লক্ষ্যে সেশন পরিচালনা করে চলেছে'টেনমিনিটস্কুল' । সেশনগুলোতে শিক্ষার্থীরা কুইজ, পরীক্ষা ও পেশা পরিকল্পনার ওপর প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে থাকে। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে মুক্ত শিক্ষা পেঁৗছে দেওয়ার উদ্যোগ থেকে রবির এ প্রচেষ্টায় টেনমিনিট স্কুল রয়েছে সহযোদ্ধা হিসেবে। অর্থের অভাবে, সুযোগের অভাবে যেন কোন শিক্ষার্থীকে পিছিয়ে পড়তে না হয় সেটি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। টেন মিনিট স্কুল বিশ্বাস করে কোনো শিক্ষার্থীর যদি শেখার গভীর আগ্র্রহ থাকে, নিবেদন এবং মনোবল থাকে, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট যেন তার শিক্ষা অর্জনের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে সেটি সমাজের সবার জন্য নিশ্চিত করতে হবে।

দেশে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা সেবা চালুর ক্ষেত্রে পথিকৃতের ভূমিকা পালন এবং গ্রামীণ ও উপশহর অঞ্চলগুলোর সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের কাছে সমন্বিত শিক্ষা উপকরণ পেঁৗছে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার তাৎপর্য পূর্ণ মানোন্নয়নে অসামান্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ টেনমিনিট স্কুল পরিবার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে বহুবার। RAC Manthan Digital Innovation Award-2016 সহ বিভিন্ন পুরস্কারের পাশাপাশি সম্প্রতি এ সাফল্যের মুকুটে আরেকটি পালক যোগ করেছে Swiss Embassy Award for Social Impact

ছোট্ট মানচিত্রের এ দেশটির মানুষগুলো বুকের মাঝে ধারণ করে চলেন একটু করো বাংলাদেশ। নানামুখী সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার গণ্ডি জালের সীমারেখা ভেদ করে ও তাই স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশের মানুষ অপার সম্ভাবনার। 'তোমরা স্বপ্ন দেখা থামিয়ে দিয়ো না, একদিন তোমাদের এই স্বপ্নগুলোই আরো অনেক মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে।' টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক এভাবেই ব্যক্ত করেন নিজের অনুভূতি। বাংলাদেশ আজ অজস্র সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। জীর্ণ মান্ধাতার আমলের শিক্ষা ব্যবস্থা বদলে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা বর্তমান তরুণ সমাজের, তারই প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে চলেছে টেন মিনিট স্কুল।

লাখো মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনে মহীরূহে পরিণত হওয়া টেন মিনিট স্কুলের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক চিরকাল- এমনটাই প্রত্যাশা টেনমিনিট স্কুল পরিবারের।
মন্তব্য
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved